advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রিট করে অনুপস্থিত
আইনজীবী ইউনুছ আকন্দকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ২৩:০৭
advertisement

রিট করে আদালতে উপস্থিত না থাকায় আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট। গতকাল বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আইনজীবীর অনুপস্থিতির কারণে রিটটি খারিজ করে এ আদেশ দেওয়া হয়।

জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়াই সারাদেশে চলমান লকডাউনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ গত ২৫ এপ্রিল ওই রিট করেন। তিনি হাইকোর্টের এই বেঞ্চে গত ২৭ এপ্রিল

রিটটি উপস্থাপন করলে তা কার্যতালিকায় ওঠে। এর পর ২ মে বিষয়টি কার্যতালিকায় এলে আদালত গত মঙ্গলবার আদেশের দিন ধার্য করেন। কিন্তু ওইদিন রিটকারী ইউনুছ আলী আকন্দ আদালতে হাজির ছিলেন না। এর ধারাবাহিকতায় গতকালও ইউনুছ আলী আদালতে হাজির না হলে আইনজীবীর অনুপস্থিতির কারণে রিট খারিজ করা হলে কস্ট (জরিমানা) আরোপ করা যায় কিনা, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খানের মত শোনেন আদালত।

আদেশের আগে আদালত বলেন, লকডাউন চ্যালেঞ্জ করে আবেদন (রিট) জমা দিয়ে উনি (ইউনুছ আলী আকন্দ) চার-পাঁচ দিন নেই। মাঝে মাঝে উঁকি দেন, মামলা ধরলে থাকেন না। আদালত রিট খারিজ করে কস্ট (জরিমানা) আরোপের কথা বলেন। তখন উপস্থিত অন্য আইনজীবী মিজানুর রহমান বলেন, কস্ট মাফ করে দেওয়া যায় না? জবাবে আদালত বলেন, কেন মাফ করব, কোর্ট-কাছারি নিয়ে ফাজলামো নাকি? লকডাউনের মধ্যে একটি মামলা করেছেন, উনাকে (ইউনুছ) একদিনও পাওয়া যায় না। উনি মামলা করে মিডিয়ায় আগে বলে দেন। চার-পাঁচ দিন ধরে মামলাটি (রিট) কার্যতালিকায় রয়েছে, উনি আসেন না। তার অনুপস্থিতির কারণে রিটটি খারিজ হলো। ১০ হাজার টাকা কস্ট আরোপ করা হলো। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দু কুমার রায় ও বিপুল বাগমার উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত বিষয় নিয়ে ‘জনস্বার্থের’ নামে রিটকারী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ গত বছরের ১২ অক্টোবর ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা নিয়ে ফেসবুকে কটাক্ষ করে স্ট্যাটাস দেন। এতে গুরুতর আদালত অবমাননা হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন আপিল বিভাগ। এ ঘটনায় ইউনুছ আলী আকন্দকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাকে তিন মাসের জন্য আইন পেশা থেকে বরখাস্ত করেন আদালত।

advertisement