advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাবার আবেদন ‘পজিটিভলি’ দেখছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মে ২০২১ ০১:০১ | আপডেট: ৬ মে ২০২১ ১০:৪৮
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছে তার পরিবার। সেই আবেদন সরকার ‘পজিটিভলি’ দেখছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গতকাল বুধবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বিদেশ যেতে হলে কোর্টের কোনো...লাগবে কিনা সেটার ব্যাপার আছে। সেই জন্য আমার আইনমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে  (আবেদন) পাঠিয়ে দিয়েছি। তার ‘‘কমেন্টস’’ আসুক। তারপর আমরা...অবশ্যই আমরা এটাকে ‘‘পজিটিভলি’’ দেখছি। ‘‘পজিটিভলি’’ দেখছি বলেই আমরা তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। সে যাতে উন্নত চিকিৎসা পায় তার পছন্দমতো তার ব্যবস্থা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন।’

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমণ্ডির বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার। খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লিখিত আবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দেন। পরে তা আইনমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত সোমবার দুপুর ২টার দিকে তাকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।

গত ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বসুন্ধরায় এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান (চেস্ট), হৃদযন্ত্রের কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়। খালেদা জিয়া পায়ের ব্যথাতেও ভুগছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ফলে অন্যের সাহায্য ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না তিনি।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা ফিরোজা’য় তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীরে নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন পার হওয়ার পর নমুনা পরীক্ষা করা হলে পুনরায় ফল পজিটিভ আসে।

গত বছর ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে দুই মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেয় সরকার। এরপর আরও দুই দফা তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। কারাগার থেকে মুক্তির পর তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার তাকে বাসা থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

advertisement