advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৬০ বাংলাদেশি

৬ মে ২০২১ ০২:২৪ এএম
আপডেট: ৬ মে ২০২১ ০২:২৪ এএম
advertisement


লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬০ বাংলাদেশি অভিবাসী। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মানবিক প্রত্যাবর্তন (ভিএইচআর) কর্মসূচির আওতায় এই অভিবাসীদের নিয়ে একটি বিশেষ ফ্লাইট গতকাল বুধবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে গত মঙ্গলবার লিবিয়ার বেনগাজি শহর থেকে ফ্লাইটটি ছেড়ে আসে। লিবিয়ায় মারা যাওয়া একজন বাংলাদেশির মরদেহও ওই বিমানের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
জানা গেছে, দেশে ফেরাদের মধ্যে ১৫৯ জন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন। কোভিড-১৯ মহামারী এবং দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে এই অভিবাসীরা লিবিয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। এ অবস্থায় আইওএম লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের নিরাপদে দেশে ফিরতে সহায়তা করে। আইওএম বাংলাদেশের ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, লিবিয়া ছাড়ার আগে প্রত্যাবর্তনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কাউন্সিলিং পরিষেবা, যাতায়াত, স্ক্রিনিংসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয় আইওএম। বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সমস্ত প্রত্যাবর্তনকারীকে ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম (পিপিই) দেওয়া হয় এবং প্রস্থানের আগে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়। বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফিরতে প্রত্যেক অভিবাসীকে আর্থিক সহযোগিতাও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যারা শারীরিক এবং মানসিক আঘাতের শিকার হয়ে ফিরে এসেছেন, তাদেরকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে সহযোগিতা করা হবে।
ফিরে আসা এক অভিবাসী বলেন, লিবিয়ায় আমাদের জন্য জীবনযাপন ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক। কারণ সেখানে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা অব্যাহত আছে। পর্যাপ্ত অর্থ উপার্জন করতে না পারায় দেশে ফিরে
আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওখানে থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছিল।
আইওএম বাংলাদেশের মিশনপ্রধান গিওরগি গিগাওরি বলেন, বাংলাদেশি অভিবাসীরা লিবিয়ায় অসহায় অবস্থায় ছিলেন। কোভিড-১৯ তাদের বিপদ আরও বাড়িয়ে দেয়। এই অভিবাসীদের নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে ফিরয়ে আনা এবং তাদের পুনঃ একত্রীকরণে সহযোগিতা করা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। আইওএমের স্বেচ্ছায় মানবিক প্রত্যাবর্তন কর্মসূচির আওতায় ২০১৫ সাল থেকে ২ হাজার ৯৯২ জন বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন।

 

advertisement