advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বনানীতে ভবনে আগুন
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন শতাধিক মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২২:২৮
advertisement

রাজধানীর বনানীর একটি ছয়তলা বাণিজ্যিক ভবনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বনানীর ১১ নম্বর সড়কের ওই ভবনের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত। খবর পেয়ে তেজগাঁও ও বারিধারা থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট এসে ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। অগ্নিকা-ের সময় পাশের ভবনের ছাদে লাফিয়ে পড়ে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন শতাধিক মানুষ।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোন ৩-এর উপসহকারী পরিচালক নিয়াজ আহমেদ জানান, সকালে ওই করপোরেট ভবনের তৃতীয় তলার একটি অফিসে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন বড় না হলেও ভবনটি কাচঘেরা থাকায় ভেতরে প্রচ- ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এতে ভবনে আটকে পড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে ছাদে চলে যান। পরে তারা পার্শ্ববর্তী ভবনের ছাদ হয়ে নিচে নেমে আসেন। একপর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ভবনের কাচ ভেঙে পানি ছিটিয়ে আগুন

নিয়ন্ত্রণে আনেন। যদিও ধোঁয়ার কারণে ভেতরে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তদন্তের পর অগ্নিকা-ের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

জানা গেছে, ভবনটির তৃতীয় তলায় ফেয়ার গ্রুপের অফিস। প্রতিষ্ঠানের হেড অব মার্কেটিং তানসিন কবীর জানান, অগ্নিকা-ের পর কালো ধোঁয়ায় পুরো ভবন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। এ সময় অনেকে শ্বাস নিতে পারছিলেন না। জীবন বাঁচাতে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন তারা। পরে ভবনের ছাদে উঠে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দেন তিনি। ছাদে আটকে পড়া সবাই জীবন রক্ষার আকুতি জানান পাশের ভবনের লোকজনের কাছে। পরে তাদের সহায়তায় ছোট একটি মই বেয়ে পাশের ভবনের ছাদে লাফিয়ে পড়ে প্রায় ১০০ জন জীবন রক্ষা করেন। হুড়োহুড়ি করে ছাদে ওঠার সময় কয়েকজন আহত হলেও কোনো প্রাণহানি হয়নি।

ফেয়ার গ্রুপের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (বিপণন) কামরুল আহসান বলেন, এই অফিসে তিন ফ্লোর মিলে প্রায় ৩০০ মানুষ কাজ করেন। ধারণা করা হচ্ছে, স্পার্ক হতে হতে কাছে থাকা একটি কম্পিউটারের সিপিউতে প্রথমে আগুন লেগে যায়। এর পর ধীরে ধীরে ধোঁয়া ও আগুন বেড়ে পুরো ফ্লোরে ছড়িয়ে যায়। আগুন নেভাতে প্রথমে আমরা ফায়ার ইস্টিংগুইশার ব্যবহার করি। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে আমাদের বেরিয়ে আসতে হয়েছে। আগুনে তিনতলার সবই পুড়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

advertisement