advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রাশিয়ার টিকা
মূল্য আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্তের পরামর্শ

আবু আলী
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১২ মে ২০২১ ০৯:২৬
প্রতীকী ছবি
advertisement

রাশিয়ায় উৎপাদিত করোনার ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিনের দাম কত হবে তা স্বাস্থ্য সচিবের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত করার পরামর্শ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে প্রতিমাসে ২০ লাখ করে ৫ মাসে ১ কোটি ভ্যাকসিন আনার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এর আগে সামগ্রিক যাচাই-বাছাই শেষে দেশে স্পুটনিক-ভি প্রয়োগে অনুমোদন দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠির ভিত্তিতে রাশিয়া স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন কেনার জন্য প্রস্তাবিত সরবরাহ চুক্তির বিষয়ে ৭ মে অর্থ বিভাগের বাজেট অনুবিভাগের মতামত চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৮ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে চিঠি দিয়ে মতামত জানায় অর্থ বিভাগ। অর্থ বিভাগের মতামতে

বলা হয়, রাশিয়ায় উৎপাদিত করোনার ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি কিনতে সরকার টু সরকার (জিটুজি) অথবা বিজনেস টু গভর্মেন্ট (বি টু জি) পদ্ধতিতে সরবরাহ চুক্তি করা সমীচীন।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহে সমস্যা দেখা দেওয়ায় সরকার রাশিয়া থেকে স্পুটনিক-ভি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে একটি চুক্তিও হয়। ওই চুক্তির আলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবিত ‘সরবরাহ চুক্তি’র ওপর আর্থিক সংশ্লেষণ বিষয়ে মতামত চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি দেয়। ওই চিঠির জবাবে অর্থ বিভাগ সরবরাহ চুক্তিটি জিটুজি বা বিটুজি পদ্ধতিতে করার পরামর্শ দেয়।

অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত ‘সরবরাহ চুক্তি’র অনুচ্ছেদ ২.২ এ ‘প্লেস অব ডেসপাচ’র স্থান হজরত জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হওয়া সমীচীন হবে। এক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের দাম, পরিবহন ব্যয়, বীমা খরচ ও স্থানীয় শুল্ক কর বাংলাদেশ সরকার বহন করবে।

স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন কেনার চুক্তি আপাতত ১০ মিলিয়ন ডোজের (সিঙ্গেল ডোজ) জন্য করার পক্ষে মত দিয়ে অর্থ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিমাসে ২ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ নেওয়া যেতে পারে। তবে প্রয়োজনে ১০ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ নেওয়ার পর উভয়পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিন কেনার পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ছয় ধাপে বাংলাদেশকে ৩ কোটি ডোজ দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ার পর বিকল্প উৎস থেকে টিকার সন্ধান শুরু হয়। এ জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে সরকার।

 

 

 

 

 

advertisement