advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ভার্চুয়াল কারেন্সিতে অনলাইনে জুয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১২ মে ২০২১ ১১:১০
advertisement

ভার্চুয়াল কারেন্সি ব্যবহার করে ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে জুয়ার ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. শাহিনুর রহমান, দীপ্ত রায় প্রান্ত, গোলাম মোস্তফা ও মো. রাকিবুল হাসান।

গত সোমবার রাতে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহৃত ল্যাপটপ, আইপ্যাড, একাধিক স্মার্টফোন, হার্ডডিস্ক, পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়। ওই চারজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে খিলক্ষেত থানায় মামলা হয়েছে। এদিকে গ্রেপ্তার চারজনকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গতকাল মঙ্গলবার ডিএমপি ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন বলে আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে জানা গেছে। খিলক্ষেত থানায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা প্রত্যেক আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ডিএমপির ইকোনমিক ক্রাইম অ্যান্ড হিউম্যান ট্রাফিকিং টিমের সহকারী কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, একটি সংঘবদ্ধ দেশি-বিদেশি প্রতারকচক্র বিভিন্ন প্রকার ভার্চুয়াল কারেন্সি এবং পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে আসছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত চার ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শাহিনুর ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া পরিচালনা এবং অর্থ লেনদেন করতেন। তিনি পেমেন্ট গেটওয়ে মেলবেট ও লাইনবেটের সরাসরি এজেন্ট। আর গ্রেপ্তার দীপ্ত রায়, মোস্তফা ও রাকিবুল মোভক্যাশের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া পরিচালনা করতেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অবৈধ জুয়া পরিচালনার ভার্চুয়াল কারেন্সি আদান-প্রদান এবং ডিপোজিট-এনক্যাশ করতেন। অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তারা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এজেন্টের কাছ থেকে কারেন্সি সংগ্রহ করে দেশব্যাপী অনলাইন জুয়াড়িদের সরবরাহ করতেন। তারা গ্রাহকদের সঙ্গে এই কারেন্সি বিক্রি এবং এনক্যাশের জন্য জয়পুরহাটের আক্কেলপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার বিকাশ, নগদ ও রকেট এজেন্ট নম্বর ব্যবহার করতেন বলেও সহকারী পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান।

advertisement