advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হাসান হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় হরতাল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
১১ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২৩:০৮
advertisement

চার দফা দাবিতে গাইবান্ধায় আধাবেলা হরতাল পালন করেছে হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চ। গতকাল সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা র্পযন্ত হরতাল পালন করা হয়।

সকাল থেকেই হরতালকারীরা জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তারা হাসান হত্যার বিচারের দাবি ও গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজার রহমানের অপসারণ চেয়ে সেøাগান দেন।

হরতাল চলাকালে শহরের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, রিকশা-ভ্যান চলাচল বন্ধ ছিল। তবে দূরপাল্লার কিছু যানবাহন চলেছে। ওসি মাহফুজার রহমানের অপসারণসহ

চার দফা দাবিতে গত ৩১ মে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ে

অবস্থান র্কমসূচি পালন করে হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চ। সেই কর্মসূচি থেকে সাত দিনের মধ্যে সদর থানার ওসির অপসারণের দাবি জানানো হয়ছিল। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে অপসারণ না হলে ১০ জুন হরতাল পালনের হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।

দাবিগুলো হচ্ছে- অবিলম্বে সদর থানার ওসি মাহফুজার রহমানের অপসারণ, হাসান হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার, সদর থানার অভিযুক্ত পরিদর্শক (তদন্ত) মজিবুর রহমান ও সহকারী উপপরির্দশক (এএসআই) মোশারফ হোসেনকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন এবং জেলায় অবৈধ দাদন ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা।

গাইবান্ধা জেলা শহরের খানকা শরিফসংলগ্ন নারায়ণপুর এলাকার বহিষ্কৃত জেলা আওয়ামী লীগরে উপদপ্তর সম্পাদক দাদন ব্যবসায়ী মাসুদ রানার বাসা থেকে গত ১০ এপ্রিল ব্যবসায়ী হাসান আলীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলশি। তিনি শহরের থানাপাড়া এলাকার মৃত হজরত আলীর ছেলে এবং আফজাল সুজ গাইবান্ধা শাখার সাবেক মালিক। লাশ উদ্ধারের পর পরই মাসুদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে নিহতের স্ত্রী বিথী বেগম সদর থানায় মাসুদ রানাসহ তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। অন্য দুজন হলেন- জেলা শহরের স্টেশন রোডের জুতা ব্যবসায়ী রুমেল হক ও খলিলুর রহমান ওরফে বাবু মিয়া। এ দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

advertisement