advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বাজেটে হতাশ পর্যটন ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২৩:০৮
advertisement

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা ও ট্যুর অপারেটরদের বাঁচানোর লক্ষ্যে পর্যটন কেন্দ্রগুলো স্বাস্থবিধি ও এসওপি মেনে খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে টোয়াবের সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান এ দাবি জানান।

টোয়াবের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের গভর্নিং বডি মেম্বার মো. রাফেউজ্জামান বলেন, বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিকাশের কথা বলেছেন কিন্তু, খাতটিকে আর্থিক সংকট থেকে বের করে আনার বিষয়ে বাজেটে কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা খুঁজে পাইনি। গত বছর করোনা ভাইরাস মাহমারীর শুরু থেকেই ট্যুর অপারেটর ও পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত সবার জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়ে আসছি, যা আজও সফলতার মুখ দেখেনি। এমনকি সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কোনো ধরনের ব্যাংক লোন গ্রহণ করতে পারেনি। এবারের প্রস্তাবিত বাজটে এ খাতে এবার

চার হাজার ৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা আগের বাজেটের চেয়ে ৩৪৪ কোটি টাকা বেশি। আমি মনে করি এ বরাদ্দ বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশের জন্য খুবই যৎসামান্য।

মো. রাফেউজ্জামান বলেন, পর্যটন এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শিল্প। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। ২০১৯ সালের জিডিপিতে পর্যটন চার দশমিক চার শতাংশ যোগ করেছিল। মহামারীর কারণে পর্যটন খাতকে গত বছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার লোকসান গুনতে হয়েছে। এ শিল্পে জড়িত প্রায় ৪০ লাখ মানুষ এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকেই হতাশ হয়ে অন্য ব্যবসায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন টোয়াবের পরিচালক (গণমাধ্যম ও প্রকাশনা) মোহাম্মদ সাহেদ উল্লাহ। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য টোয়াব ৫টি দাবি জানায়। দাবিগুলো হচ্ছে, বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে দ্রুত উত্তোরণে ও বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য পর্যটন স্পটগুলো স্বাস্থবিধি মেনে ও এসওপি মেনে পর্যটনসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে দ্রুত খুলে দেওয়া। ট্যুর অপারেটরদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা। টোয়াব সদস্যদের জন্য পরবর্তী বছরের ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়াল ফি মওকুফ করা। টোয়াব সদস্য, কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদানের ব্যবস্থা করা। পর্যটন শিল্পের যথাযথ উন্নয়ন ও বিকাশে পর্যটনের জন্য স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় করা।

advertisement