advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জলাবদ্ধতায় গৃহবন্দি ডিএনডির ভেতরের লাখো মানুষ

ডেমরা প্রতিনিধি
২৩ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২২ জুন ২০২১ ২৩:৪২
advertisement

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৬৬ ও ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডেমরা এলাকার নিম্নাঞ্চলগুলো। ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে ডিএনডি (ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা) বাঁধের অভ্যন্তরের লাখো মানুষ। গত আট দিনের দফায় দফায় বৃষ্টিতে ডেমরার নিম্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। এখন মেঘ ডাকলেই নেমে আসে আতঙ্ক। সরেজমিন দেখা গেছে, ডিএসসিসির ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের

নিম্নাঞ্চলের পূর্ব-ডগাইর, ডগাইর গ্রিন সিটি এলাকা, সানারপাড়, পশ্চিম সানারপাড়, কোদালদোয়া দেইল্লা-বামৈল, মুসলিমনগর, মাতুয়াইল, সাইনবোর্ড এবং ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব-বক্সনগর, হাজি রোড এলাকা, আমতলা, পশ্চিম বক্সনগর ও মাকাশরোডসহ ওয়ার্ডের প্রতিটি নিম্নাঞ্চলেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষণের পানিতে তলিয়ে আছে এখানকার বহু রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, দোকানপাট, ফসলি জমি, নার্সারি, সবজি ক্ষেত; এমনকি মানুষের ঘরবাড়িতেও পর্যন্ত পানি ঢুকে গেছে। এদিকে দিনমজুর ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষরা কোনো কাজেই বের হতে পারছেন না জলাবদ্ধতার কারণে। এতে করে সংসার চালানো, ঘর ভাড়া ও মাসের বাড়তি খরচ জোগান দিতেই দুঃচিন্তায় এসব নিম্ন আয়ের মানুষ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই এখানে মারাত্মক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। অধিক বৃষ্টি হলে পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে এই এলাকায়। ডেমরার বিভিন্ন নিচু এলাকাগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। তা ছাড়া বর্ষণের পানির সঙ্গে মিশে একাকার কলকারখানা ও বাড়িঘরের বর্জ্য। এতে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। আষাঢ়ের মাঝামাঝিতে জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মতিন সাউদ বলেন, ‘ওয়ার্ডের নিম্নাঞ্চলগুলোতে দ্রুত উন্নয়ন প্রয়োজন। আর এসব বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রয়েছে নানা পরিকল্পনা, যা দ্রুতই বাস্তবায়ন হয়ে যাবে। তবে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও লাগাতার বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি জমে তলিয়ে গেছে কিছু এলাকা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সিদ্ধিরগঞ্জ পাম্প হাউস থেকে পানি টানা হচ্ছে। জলাবদ্ধতার পানি চলে যাবে। তবে অতি বৃষ্টি হলে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।’

advertisement