advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গৌরবের ৬৮ বছর
যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী

অধ্যাপক মো. ছাদেকুল আরেফিন মাতিন
৬ জুলাই ২০২১ ০০:০৩ | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২১ ০০:০৩
advertisement

গৌরবের ৬৮ বছরে পদার্পণ করেছে প্রাচ্যের ক্যামব্রিজখ্যাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামসহ অসংখ্য আন্দোলনে গৌরবোজ্জল ইতিহাস রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির। ১৯৬৯’র গণঅভ্যুত্থান চলাকালীলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুজ্জোহা। যিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী।

সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুজ্জোহার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডেরর মধ্যদিয়েই সারা দেশে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম বেগবান হয়ে ওঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে। এভাবে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি মুক্তবুদ্ধি চর্চা এবং সংস্কৃতির বিকাশে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি তার সূঁচনালগ্ন থেকে অদ্যবধি দায়িত্ব পালন করে আসছে। আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুখ্যাতি রয়েছে বিভিন্নভাবে। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আলোকে বিশ্বের উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণার মানোন্নয়ন যেমন চলছে, ঠিক তেমনই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনেক শিক্ষার্থী এ বিশ্বদ্যিালয়ে অধ্যয়ন করছেন। অনেক আর্ন্তজাতিক মানের গবেষক রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

গবেষণার ক্ষেত্রে আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতিও মিলেছে বহুবার। ২০১৯ সালে বিজ্ঞান গবেষণার ভিত্তিতে ‘সিমাগো স্কপাসের’ জরিপে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম স্থান দখল করেছিল। এভাবে বহু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টি তার সক্ষমতা প্রকাশ করে চলছে।

বাংলাদেশ তথা উত্তরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করার পেছনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও গৌরবোজ্জল ইতিহাসের স্বাক্ষী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানের চ্যালেঞ্জগুলো উত্তরণ করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জিবিত হয়ে আলোকিত করবে দেশ ও জাতিকে। আজ ৬ জুলাই, বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্মদিন। আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে রইল সেই প্রত্যাশা ও শুভ কামনা।

অধ্যাপক মো. ছাদেকুল আরেফিন মাতিন : উপাচার্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

advertisement