advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পাঁচ দিনে অনলাইনে বিক্রি হলো লক্ষাধিক গবাদি পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জুলাই ২০২১ ১৪:৪৫ | আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২১ ১৪:৫৫
গবাদি পশু। পুরোনো ছবি
advertisement

মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে হাট থেকে পশু বেচাকেনার পরিবর্তে অনলাইন থেকে বেচাকোনা করা শুরু করেছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। শুরুতে অনলাইন হাটে পশু বিক্রি তেমন বেশি না হলেও পরবর্তীতে বিক্রি অনেকটাই বেড়েছে।

জানা গেছে, হাটগুলোতে গত ৮ জুলাই থেকে গত ১২ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিনে বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮০টি পশু। অথচ ২ জুলাই শুরু হওয়া অনলাইন হাটে ৮ জুলাই পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল ২৬ হাজার ৩০৮টি পশু।

করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডিজিটাল পশুর হাট ও অন্যান্য অনলাইন হাট ছাড়াও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপজেলাভিত্তিক হাট আয়োজন করেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার পর্যন্ত অনলাইনে মোট পশু বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৮টি, যার অর্থমূল্য ১ হাজার ১১৬ কোটি ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৩০০ টাকা। চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা মোট ১ কোটি ১৯ লাখ। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ দশমিক ৩২ শতাংশ পশু অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এই পরিসংখ্যান গত বছরের চেয়ে বেশি হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা খুব সন্তুষ্ট নন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (খামার) জিনাত সুলতানা বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে আমরা আরও অনেক বেশি অনলাইন বিক্রি আশা করেছিলাম।’

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১২ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে সবচেয়ে বেশি পশু বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। বিভাগটিতে ৮৭ হাজার ৩৫৭টি গরু-মহিষ এবং ১৭ হাজার ৬৬৭টি ছাগল-ভেড়া অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ঢাকা বিভাগ। ঢাকায় মোট ১৬ হাজার ৯৭৬টি গরু-মহিষ এবং ১ হাজার ৩৫৪টি ছাগল-ভেড়া বিক্রি অনলাইনে হয়েছে।

জিনাত সুলতানা আরও বলেন, অনলাইনে আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ার মূল কারণ ক্রেতাদের অনভ্যস্ততা। এখনো বেশির ভাগ ক্রেতা হাটে গিয়ে পশু কেনার কথা চিন্তা করেন।

সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৪৩টি প্ল্যাটফর্ম থেকে অনলাইন হাট পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে অধিকাংশই ফেসবুকভিত্তিক। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মীদের নিজ এলাকার খামারিদের খামার ঘুরে পশুর ছবি অনলাইনে আপলোড দেওয়ার কাজে নিয়োজিত করেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কাজী রফিকুজ্জামান বলেন, ‘আমরা উপজেলাভিত্তিক ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করেছি, যেমন ঢাকা মহানগর ছাড়াও ঢাকায় পাঁচটি উপজেলা আছে। এই ছয় এলাকার জন্য আলাদা ছয়টি ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। কর্মীরা দিনে ৫ থেকে ১০টি পশুর ছবি আপলোড করছেন।’ এখন পর্যন্ত অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মোট ১০ লাখ ৩০ হাজার ৫৯০টি পশুর ছবি আপলোড করা হয়েছে।

advertisement