advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সকালে যাত্রীদের চাপ বিকালে ফাঁকা শিমুলিয়া

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
২৪ জুলাই ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২১ ১১:০৯ পিএম
advertisement

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে গতকাল শুক্রবার থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন শিমুলিয়া ফেরিঘাটে সকালে যাত্রী চাপ থাকলেও বিকালে ছিল ফাঁকা। এদিকে নৌরুটে ফেরি ছাড়া অন্যান্য নৌযান বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরি দিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন প্রমত্তা পদ্মা। ফেরিতে সকালের দিকে যাত্রীদের ভিড় পরিলক্ষিত হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সেই ভিড় কমতে থাকে।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ (টিআই) মো. হাফিজুর রহমান জানান, সকাল থেকে ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় কোনো গাড়ি নেই। আমরা শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও মালবাহী গাড়িগুলো পারাপার করছি। কোনো যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস পারাপার করছি না। হাইওয়ে এবং ঢাকা জেলার ৬-৭টি চেকপোস্ট অতিক্রম করে যাত্রীবাহী কোনো গাড়ি আমাদের এখানে আসতেও পারছে না। সকালের দিকে যারা পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঘাট এলাকায় এসেছিলেন, তারা গ্রামের ভেতর দিয়ে ভেঙে ভেঙে বিভিন্নভাবে গন্তব্যে রওনা দেন।

বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের কর্মকর্তা মো. সোলেমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। লকডাউনের নিয়মানুযায়ী গতকাল শুক্রবার আর লঞ্চ চলেনি, লঞ্চঘাটে যাত্রীও নেই। ঘাটে যেসব যাত্রী আসছেন, তারা ফেরিতে পার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, নৌরুটে বর্তমানে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। বিধি আরোপের সময়ের আগে ঘাটে আসা যাত্রী যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটে ৭০-৮০টি ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী গাড়ি রয়েছে। এসব যানবাহন পারাপারের পর ফেরির সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে বলে তিনি জানান। নতুন করে ঘাটে আসা যানবাহন ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

advertisement