advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সৈকতে ভাঙন, হুমকিতে মেরিন ড্রাইভ সড়ক

সোয়েব সাঈদ,রামু (কক্সবাজার)
২৮ জুলাই ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ০৮:৫৭
advertisement

লঘুচাপ ও পূর্ণিমার জোয়ারে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের একাধিক পয়েন্টে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এরিমধ্যে ধসে পড়েছে রামুতে অবস্থিত জেলা পরিষদের বিশ্রামাগার, দোকানপাটসহ একাধিক স্থাপনা। উপড়ে পড়েছে কক্সবাজার শহরের ডায়াবেটিক পয়েন্টের শত শত ঝাউগাছ। এ ছাড়া হুমকির মুখে পড়েছে মেরিন ড্রাইভ সড়ক, কক্সবাজার বিমান বন্দরের জন্য প্রস্তাবিত জমি, একাধিক সরকারি-বেসরকারি ভবন, বসত ঘরসহ আরও অসংখ্য স্থাপনা। জানা যায়, গত শনিবার রামু উপজেলার সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার পর্যটন স্পট হিমছড়িতে অবস্থিত জেলা পরিষদের সুদৃশ্য বিশ্রামাগার ভবনটি পূর্ণিমার জোয়ারের পানির তোড়ে ধসে পড়ে। ভবনটি দুই বছর আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া কক্সবাজার শহরের ডায়াবেটিক পয়েন্টে কয়েক দিনের জোয়ারের প্রভাবে দোকানপাটসহ শত শত ঝাউগাছ পানির তোড়ে উপড়ে গেছে। সাগরে বিলীন হয়ে গেছে তীরের ৪০ পয়েন্টের বেশি জমি।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী বলেন, কয়েকদিনের জোয়ারের প্রভাবে সৈকতের কয়েকশ মিটার অংশ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রোধের পদক্ষেপ নিয়েছে।

রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, গত কয়েক বছর ধরে কক্সবাজার সৈকতের একাধিক পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে সৈকতের হিমছড়ি পয়েন্টে। এখানে জিও ব্যাগ স্থাপনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ভাঙন রোধে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ইসিবি।

কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল বিশ্বাস জানান, রামুর হিমছড়িতে জেলা পরিষদের একটি বাংলো শনিবার ধসে পড়ে। এটি ২ বছর আগে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে হেলে পড়ে। ওই সময় থেকে এটি পরিত্যক্ত ছিল। এখানে আবারও নতুন বাংলো স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন রামু উপজেলা সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ আলম জানান, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত পুরো দেশের সম্পদ। বাংলাদেশকে বিশে^র বুকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে এ সৈকত। সাগরের অব্যাহত ভাঙনে এখানে পর্যটন শিল্পের যেমন অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি স্থানীয় বাসিন্দারাও হুমকির মুখে পড়েছেন। তাই সৈকতের ভাঙন রোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

 

 

 

advertisement