advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জনপ্রশাসন পদক পেল ফ্রান্স দূতাবাস

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
২৮ জুলাই ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ০২:৪৭ এএম
advertisement

বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শের বৈশ্বিক প্রচার এবং কূটনৈতিক তৎপরতায় দলগত অবদানের জন্য এবার জনপ্রশাসন পদক পেয়েছে প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাস। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো বিদেশ মিশন তাদের উদ্ভাবনী কাজের এমন স্বীকৃতি পেল। জনপ্রশাসন দিবস উপলক্ষে সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দূতাবাস টিমের পক্ষে ফ্রান্সে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজী ইমতিয়াজ হোসেন ওই সম্মাননা-পদক গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তার কেবিনেটের সিনিয়র সদস্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সশরীরে উপস্থিত থেকে কাজী ইমতিয়াজ হোসেনসহ বিজয়ী অন্যদের হাতে পদক তুলে দেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে দু’দফা তারিখ পরিবর্তনের পরও ২০২০ সালের জনপ্রশাসন পদক বিতরণ সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়ে সে বছর পদক বিতরণ অনুষ্ঠান স্থগিত করতে হয়েছিল। ফলে আজকের আয়োজনে ২০২০ ও ’২১ সালের বিজয়ী ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির হাতে পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয়।

বিজয়ী প্যারিস মিশন দলের অন্য সদস্যরা হলেন এসএম, মাহবুবুল আলম, মিনিস্টার (রাজনৈতিক), দয়াময়ী চক্রবর্তী, প্রথম সচিব এবং নির্ঝর অধিকারী, প্রথম সচিব।

জনপ্রশাসন সচিব কেএম আলী আজম জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত দলনেতা হিসেবে পুরস্কারটি গ্রহণ করেছেন। বাকি ৩ জন দূতাবাস-কর্ম সামলাতে ব্যস্ত থাকায় তাদের সম্মাননা-পদক পৌঁছে দেওয়া হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইউনেস্কোতে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শের আন্তর্জাতিকীকরণে দূতাবাস দুটি উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার মধ্যে ছিল জাতির পিতার নামে ‘সৃজনশীল অর্থনীতিতে ইউনেস্কো-বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ইউনেস্কোকে সম্পৃক্তকরণ। দুটি উদ্যোগই ইউনেস্কো কর্তৃক নিয়োগকৃত বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী ও সাধারণ পরিষদের একাধিক পর্যায়ে যাচাই করা হয়েছে। উদ্যোগ দুটি ইউনেস্কো প্রতিনিধিত্বকারী তালিকাগুলোয় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এটাকে বাংলাদেশের অসামান্য অর্জন বলে মনে করছে সেগুনবাগিচা।

উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় বাংলাদেশের ৩টি নিদর্শন, বিশ্ব অপরিমেয় ঐতিহ্য তালিকায় ৪টি ঐতিহ্য এবং মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বীকৃতি পেয়েছে।

advertisement