advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হাতুড়ে ডাক্তারের ‘ভুল চিকিৎসায়’ মায়ের গর্ভে সন্তানের মৃত্যু

বরিশাল ব্যুরো
২৮ জুলাই ২০২১ ২২:১৯ | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ২২:১৯
advertisement

এক হাতুড়ে ডাক্তারের ‘ভুল চিকিৎসায়’ মায়ের গর্ভেই সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায়। ওই ‘চিকিৎসকে’র নাম রিপন হালদার। তার ‘অপচিকিৎসার কারণে’ অসুস্থ প্রসূতীকে বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর নাম লিয়া বেগম। তিনি ৭ মাসের অন্তঃস্বত্ত্বা ছিলেন। তার স্বামীর নাম গোলাম মাওলা। তারা উপজেলার আমবৌলা গ্রামের বাসিন্দা। তাদের স্বজনরা জানান, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে লিয়ার জ্বর হয়। গত ২৪ জুলাই তাকে উপজেলার পয়সারহাট বাজারে শহীদ মেডিকেল হল ফার্মেসিতে নিয়ে গেলে হাতুড়ে চিকিৎসক রিপন হালদার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেন। ওই রিপোর্ট দেখে লিয়াকে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশনসহ কিছু ওষুধ দেন রিপন। তার পরামর্শ অনুযায়ী লিয়াকে ওষুধ প্রয়োগ করলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

জানা গেছে, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর লিয়াকে উপজেলার পয়সারহাট আদর্শ জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করান হয়। সেখানকার চিকিৎসক লিয়ার আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করার পর তার গর্ভের সন্তান মারা গেছেন বলে ঘোষণা করেন। পরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় লিয়ার গর্ভের মৃত সন্তান প্রসবের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি বেশ অসুস্থ হয়ে পড়লে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে রিপন হালদারের সঙ্গে যোগযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গর্ভের সন্তানের মৃত্যু যেকোনো কারণেই হতে পারে। তবে, আমার কারণে ওই সন্তান মারা যায়নি। রোগীকে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক লেখার কোনো এখতিয়ার আমাদের (পল্লী চিকিৎসকের) নেই। রোগীকে সুস্থ করার স্বার্থে কিছু কাজ করতে হয়।

আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার আল মামুন এ ব্যাপারে বলেন, ‘কোনো পল্লী চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক লিখতে পারবেন না। অভিযুক্ত ওই পল্লী চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় গর্ভের সন্তান মারা যাওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

advertisement