advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গ্রামে মিলবে টিকা
দেশে উৎপাদনে মনোযোগ দিন

২৯ জুলাই ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ১০:৫১ পিএম
advertisement

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বাংলাদেশ টিকা নিয়ে এতদিন যে দুশ্চিন্তায় ছিল, তা অনেকটা কেটে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে দুই কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে। গ্রামপর্যায়ের মানুষকে টিকাদানের আওতায় আনা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য টিকাদান পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন না করেও ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেখিয়েই টিকা নেওয়া যাবে। যাদের এনআইডি নেই, তারা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় টিকা নিতে পারবেন। তবে স্বাভাবিক রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও আগের মতোই চলবে। ৩০ বছর বয়সের ঊর্ধ্বে যে কোনো নাগরিক এনআইডি দেখিয়ে টিকা নিতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার ডেল্টা সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকানোর জন্য চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বেশিসংখ্যক মানুষকে আনতে হবে। ভারত বিধিনিষেধ ও টিকা কর্মসূচির মাধ্যমে সংক্রমণের হার দ্রুত কমিয়ে এনেছে। আমাদের দেশেও চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টিকা এসেছে। তবে যে পরিমাণ টিকা এসেছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। সরকারকে মাথায় রাখতে হবে, টিকা দেওয়ার অনুপাত এমন হতে হবে- যেন আগামী দেড়-দুই বছরের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, ভবিষ্যতে আমরা দেশেই ভ্যাকসিন উৎপাদন করব- যাতে দেশের মানুষের কোনো অসুবিধা না হয়। দেশের মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি হলে ৮০ শতাংশ হবে কমবেশি ১৩ কোটি। প্রতিজনকে দুই ডোজ দিলে মোট ২৬ কোটি ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে। তা স্বল্প সময়ে বাইরের উৎস থেকে সংগ্রহ করা কঠিন। দেশে টিকা উৎপাদন করা হলে এর খরচ কম পড়বে। দেশের অনেক সাশ্রয় হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশও টিকা বিদেশে রপ্তানি করতে পারবে। আমরা চাই, দেশে টিকা উৎপাদনের জন্য সরকার শুধু কথায় না কাজে প্রমাণ দেবে।

advertisement