advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ইসরায়েলে ষাটোর্ধ্বরা পাবেন করোনা টিকার তৃতীয় ডোজ

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুলাই ২০২১ ১২:১৯ পিএম | আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২১ ০৩:০৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

যেখানে অধিকাংশ দেশ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ সম্পন্ন করতেই হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরায়েল ইতিমধ্যেই দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষকে করোনার টিকার দুইটি ডোজই দিয়ে ফেলেছে। তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, দুইটি ডোজের পর এবার দেশটিতে ষাটোর্ধ্ব নাগরিকদের তৃতীয় ডোজ দেওয়া হবে। আজ শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি। ইসরায়েলে হঠাৎ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ায় দেশটির কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইসরায়েলে ৬০ বছরের বেশি বয়সী যেসব নাগরিক অন্তত পাঁচ মাস আগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, তারা এই তৃতীয় দফা টিকা কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। আগামী রোববার অর্থাৎ ১ আগস্ট থেকে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনেট জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক গবেষণায়। এই তৃতীয় ডোজ মূলত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও একটু বৃদ্ধি করার জন্যই দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাড়তি ডোজের মাধ্যমে নগরিকরা বাড়তি সুবিধা পাবেন। এরই মধ্যে প্রায় ২ হাজার মানুষ এই তৃতীয় ডোজের ট্রায়ালে অংশগ্রহণ করেছে এবং তারা কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই সুস্থ আছে বলেও ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে।

এদিকে, আজ শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ইসসাক হারযগ তৃতীয় বুস্টার ডোজ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। ইসসাক আগামী সেপ্টেম্বরে ৬১ বছরে পদার্পণ করবেন।

তবে, করোনার এই তৃতীয় ডোজ ঠিক কতটা কার্যকর হবে এই ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এই ডোজে করোনার সংক্রমণ কমে যাবে, এমন কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা নিশ্চিতভাবে দিতে পারেনি।

করোনা প্রতিরোধ ও টিকাদানে সফল যেসব দেশ তার মধ্যে ইসরায়েলের অবস্থান প্রথম দিকেই। তারা দেশটির অর্ধেকেরও বেশি মানুষকে টিকার দুটি ডোজই দিতে সক্ষম হয়েছে। তবে বিশ্বব্যাপী করোনার ডেল্টা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার দেশটি আবারো নতুন করে বেশ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গত মাস থেকেই দেশটিতে ঘরে ও ঘরের বাইরে মাস্ক পরা আবারো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এত কিছুর পরেও সেখানে থামছে না সংক্রমণ। নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজার মানুষ সংক্রমিত হয়েছে আর মারা গেছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষ। 

advertisement