advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

তালেবানদের সহায়তার জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে আফগানিস্তান

অনলাইন ডেস্ক
৩১ জুলাই ২০২১ ০৯:৫৮ পিএম | আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২১ ১০:০৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক সম্মেলনের পর আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তালেবানদের সামরিক হামলায় পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সমর্থন ছিল। শুধু তাই নয়, এই জঙ্গী দলটির হাক্কানি নেটওয়ার্ক এবং আল-কায়েদার সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ হাজার হামলার মাধ্যমে গোটা দেশজুড়ে সহিংস কার্যকলাপ চালিয়েছে তালেবানরা। তারা ১৯৩টি কেন্দ্রীয় জেলা এবং ১৯টি সীমান্ত জেলা নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে ৯টি কেন্দ্রীয় জেলা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে আফগান ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোর্স (এনডিএসএফ)। আরো ২০০টি কেন্দ্রীয় জেলা এখন পর্যন্ত সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে।

তালেবানরা তাখার, কুন্দুজ, বাদাখসান, হেরাত এবং ফারাহ প্রদেশের ১০টি সীমান্ত পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। আর এ কারণে এসব সীমান্ত অঞ্চলে চলাচল ও বাণিজ্য এখন পুরোপুরি বন্ধ। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, গত ১৪ এপ্রিলের পর থেকে প্রায় ৪ হাজার এনডিএসএফ সদস্য নিহত, ৭ হাজারের বেশি আহত এবং প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন তালেবানদের হাতে আটক রয়েছেন। তালেবান ও নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতায় নারী ও শিশুসহ দুই হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও দুই হাজার ২০০ জন আহত হয়েছেন। তালেবানদের এসব হামলায় পাকিস্তানের আইএসের সমর্থন ছিল বলে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া এলইটি, জেইএম, তানজিম উল বদর এবং অন্যান্য পাকিস্তানি উগ্রবাদী দলগুলো আফগানিস্তানে তালেবানদের সঙ্গে তাদের সদস্যদের একত্রিত করতে তেরা এজেন্সি এরিয়াতে তিনটি নতুন গুরুত্বপূর্ণ ক্যম্প স্থাপন করেছে। টিটিপি, লস্কই তৈয়্যবা, লস্কর ইসলাম, জেইএম জামাত উল আহরার, তানজিম উল বদও এবং লস্কর জাঙ্গাওয়েইর মতো পাকিস্তানের সন্ত্রাসী দলগুলো কুনার, নুরিস্তান এবং নানগারহারের মতো পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলোয় যুদ্ধ করেছে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলোয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে তালেবানদের অব্যাহতভাবে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি দলটিতে সদস্য নিয়োগ করে চলেছে। এ ছাড়া এলইটি আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে তাদের প্রায় ৭ হাজার যোদ্ধা মোতায়েন করেছে। অন্যান্য পাকিস্তানভিত্তিক উগ্রবাদী দলগুলোও নানগরহার প্রদেশে প্রবেশ করেছিল।

আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ধারণা উরুজগান প্রদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে আল-কায়েদারা তালেবানদের সহায়তা করেছে। এ ছাড়া আফগানিস্তানে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে এখানকার পরিস্থিতি আরও নাজুক করে তুলেছে। আল-কায়েদার পাশাপাশি হাক্কানি নেটওয়ার্কও এখানে তাদের পরিধি বিস্তারের চেষ্টা করেছে। আফগানিস্তানকে নিজেদের একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে তৈরি করতে চেয়েছে আল-কায়েদা।

সূত্র : ইনসাইডওভার

advertisement