advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হঠাৎ কারখানা খুলে দেওয়া অবৈজ্ঞানিক

অধ্যাপক মোজাহেরুল হক,
১ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২১ ১১:২৮ পিএম
advertisement

অধ্যাপক মোজাহেরুল হক, সাবেক উপদেষ্টা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

লকডাউনের মধ্যে পরিবহনের ব্যবস্থা না করে হঠাৎ শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈজ্ঞানিক বলেছেন জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোজাহেরুল হক। তিনি বলেন, এর ফলে সংক্রমণ আরও বাড়বে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন, লঞ্চ, ট্রেন সব কিছু চালু করা যেতে পারে এমনও পরামর্শ দেন তিনি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গাদাগাদি করে মানুষ চলার চেয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতায়াত করলে ঝুঁকি কম থাকে। মোজাহেরুল হক বলেন, প্রথম থেকে

এ পর্যন্ত যতগুলো লকডাউন দেওয়া হয়েছে, তার কোনোটাইতে লকডাউনের প্রিন্সিপালটাই মানা হয়নি বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, লকডাউন মানে লকডাউন। লকডাউনের আগে-পরে কোনো বিশেষণ বসে না। কিন্তু কখনো কঠোর লকডাউন, কখনো শিথিল, আবার কখনো ঢিলেঢালা শব্দগুলো চলছে। এটা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এখন পর্যন্ত কোনো লকডাউন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়নি। সোজা কথা সরকার লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পারেনি। জনগণও এতে সাড়া দেয়নি, সম্পৃক্তও হয়নি। এ কারণে সংক্রমণ প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে মৃত্যুর একটা সম্পর্ক আছে। সংক্রমণ যেমন বাড়ছে, মৃত্যুও তেমন বাড়ছে। গতকাল শনিবার আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, টিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে টিকা দেওয়ার কথা ছিল ফ্রন্টলাইনে যারা কাজ করেন তাদের। অর্থাৎ ডাক্তার ও চিকিৎসার সঙ্গে যারা জড়িত। এর পরই বয়স্কদের। শুরুতেই তাদের রক্ষা করতে হবে। কিন্তু শুরু থেকেই তো সেটা মানা হয়নি।

করোনামুক্ত হওয়ার জন্য ৯০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সে ক্ষেত্রে কতগুলো টিকা জোগাড় করা গেছে? টিকার পরিমাণ বাড়াতে হবে এবং কত দিনের মধ্যে সবাইকে দুই ডোজ টিকা দেওয়া শেষ করা যাবে তার নির্দিষ্ট সময় থাকা দরকার। ১৩-১৫ মাসের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি করতে টিকা দিতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন থেকে জনগণ ও জনপ্রতিনিধি সম্পৃক্ত করে টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।#প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন আব্দুল্লাহ কাফি

advertisement