advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দ. এশিয়ায় টিকাদানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

আমাদের সময় ডেস্ক
১ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২১ ০৯:০৭ এএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

চলমান করোনা মহামারীতে টিকা কর্মসূচিতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের মধ্যে দেশের ৪০ শতাংশ নাগরিককে যে হারে টিকা দেওয়া প্রয়োজন তা থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ‘টাস্কফোর্স অন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস’ ওয়েবসাইটের তথ্যচিত্রে বিষয়টি উঠে এসেছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে টিকা কর্মসূচি পর্যবেক্ষণে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের তথ্যচিত্রে দেখা গেছে, ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৬০ শতাংশ মানুষকে টিকাদানের ক্ষেত্রেও অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

এ সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে গত শুক্রবার দেখা গেছে, বাংলাদেশে সাত দিনের গড়ে দৈনিক টিকাদানের হার শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। এর অর্থ হচ্ছে প্রতি ১০০ জনে টিকা পাচ্ছে শূন্য দশমিক ১১ জন। কিন্তু ভারতে এই হার শূন্য দশমিক ৩১ শতাংশ, পাকিস্তানে শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ, নেপালে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ, শ্রীলংকায় ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এই দেশগুলো টিকাদানে বাংলাদেশ থেকে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের চেয়ে টিকাদানের গতি কম ভুটানে (শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ), মালদ্বীপে (শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ), আফগানিস্তানে (শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ)। যদিও ভুটান ও মালদ্বীপ উভয় দেশই তাদের মোট জনসংখ্যার বড় অংশকে টিকাদান সম্পন্ন করেছে।

টাস্কফোর্সের দেখা তথ্য বলছে, চলতি বছরের মধ্যে বাংলাদেশ যদি ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকাদান সম্পন্ন করতে হয় তা হলে প্রতিদিন শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশ হারে টিকা দিতে হবে। আর ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে ৬০ শতাংশকে টিকা দিতে হলে দিনে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ হারে টিকা দিতে হবে।

বাংলাদেশের জনগণ সাড়ে ১৬ কোটি, তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশ নাগরিককে টিকা দিতে ১৩ কোটি ১৮ লাখ ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে। আর ৬০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওয়তায় আনতে অন্তত ২০ কোটি ডোজ টিকা লাগবে। টাস্কফোর্স ধারণা করছে, বাংলাদেশ বর্তমানে যে হারে টিকা দিচ্ছে তাতে এই বছরের শেষ নাগাদ ১৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ নাগরিককে টিকা দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার ৮০ শতাংশ নাগরিককে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে চলতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি টিকা কর্মসূচি শুরু করে। গত ২৫ জুলাই পর্যন্ত ৭৫ লাখ জন টিকার একটি ডোজগ্রহণ করেছেন, আর দুই ডোজ পেয়েছেন মাত্র ৪৩ লাখ মানুষ।

advertisement