advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ভেড়ামারা-দৌলতপুর সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

ইসমাইল হোসেন বাবু, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)
২ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২১ ১০:৩০ পিএম
advertisement

ভেড়ামারা-দৌলতপুর-প্রাগপুর-মহিষকুন্ডি সড়কের একমাত্র প্রবেশদ্বার ভেড়ামারা। শহরে ঢুকতে জিকে খালের ৩ নম্বর ব্রিজ পার হতে হয়। ভাঙা এ ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন ও মানুষ চলাচল করছে। এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ব্রিজটি ১৯৬২ সালে নির্মাণ করা হয়। এর দৈর্ঘ্য ৬৩ দশমিক ৭৮৫ মিটার, প্রস্ত সাড়ে ১০ দশমিক ২৫ মিটার। মেয়াদ উত্তীর্ণ ব্রিজটির একাংশে ফাটল দেখা দেয় পাঁচ বছর আগে। সে অংশটুকু জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হয়। এর এক বছর পর ব্রিজটির পূর্ব পাশের বেশ কিছু অংশের কংক্রিট ভেঙে পড়ে। এর পর কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ ব্রিজের শুধু ভাঙা অংশটুকুতে স্টিলের সরু বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করে দেয়। এটি ছিল সাময়িক সময়ের জন্য। কিন্তু এখনো এভাবেই রয়েছে ব্রিজটি। বিগত অর্থবছরগুলোয় নতুন ব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প জমা দিলেও পাস হয়নি। চলতি অর্থবছরে জিকে ব্রিজ প্রকল্পটি আবারও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। তবে যাচাই-বাছাইয়ে প্রথম তালিকা থেকে এবারও বাদ পড়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাকিরুল ইসলাম। ভেড়ামারা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোলাইমান মাস্টার বলেন, ভেড়ামারা শহরে দুটি পয়েন্ট যানজট সৃষ্টির কারণ। তার মধ্যে এ ব্রিজ একটি।

ট্রাকচালক খোসবার আলী বলেন, ব্রিজে ওঠার সময় অতিরিক্ত কম্পন হয়। বেইলি ব্রিজে উঠতে গেলে মালবাহী গাড়ি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। একটু অসতর্ক হলেই নির্ঘাত বড় দুর্ঘটনা। ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আক্তারুজ্জামান মিঠু বলেন, ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণ প্রয়োজন। ঝুঁকি নিয়ে আর কত দিন পার হবে যানবাহন। সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের উচিত এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেন বলেন, এখনো ব্রিজটি নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন হয়নি। বিগত অর্থবছরে ব্রিজ উন্নয়ন প্রকল্পে চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু হয়নি। এ ছাড়া আরও কিছু প্রকল্পে জমা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কাজ হয়নি। চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসে প্রকল্প আবারও জমা দেওয়া হয়েছে। যতটুকু জানতে পেরেছি, প্রকল্পটি পাস নাও হতে পারে। কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাকিরুল ইসলাম বলেন, ব্রিজটির প্রকল্প খুলনা জোন হয়ে সড়ক বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাইয়ে প্রথম যে লিস্ট (তালিকা) করা হয়েছে, তাতে প্রকল্পটি আপাতত নেই। তবে ফার্স্ট লিস্টে ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি কোনো রকম ফার্স্ট লিস্টে ঢোকাতে না পারি, তা হলে সেকেন্ড লিস্টে রাখতে পারি, সেভাবেই চেষ্টা চালাচ্ছি।

advertisement