advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চট্টগ্রামে আগস্টের তিন দিনে করোনা শনাক্ত ৩ হাজার পার

চট্টগ্রাম ব্যুরো
৪ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৩ আগস্ট ২০২১ ১০:৩১ পিএম
advertisement

জুলাইয়ের মতো আগস্ট মাসেও চট্টগ্রামে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত আছে। চলতি মাসের প্রথম তিন দিনে করোনা শনাক্ত ৩ হাজার পার করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগস্ট মাসে করোনা পরিস্থিতি জুলাই মাসের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে এত সংখ্যক রোগী বাড়ছে। নতুন ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণ গতি পেয়েছে। আক্রান্তরা আইসোলেশনে যান না। সবার সঙ্গে মেলামেশা করার ফলে পরিবারের সবাই আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি বলেন, জুলাই মাসে চট্টগ্রামে রেকর্ড সংখ্যক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু হয়েছে। আগস্ট মাসেও এই হার আরও বাড়বে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনের। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। কয়েক মাস আগে করোনার সংক্রমণ হার ছিল ১০-১৩ শতাংশ। জুন মাসের সংক্রমণের হার ২০-৩০ শতাংশ থাকলেও জুলাই-আগস্টে ৩৪-৩৯ শতাংশের বেশি থাকছে। জুলাইয়ে রেকর্ড সংখ্যাক রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আগস্টে সে পথেই হাঁটছে। আগস্টের প্রথম ৩ দিনের শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ১৮৫ জন আর মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের।

চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ হাজার ১৪৪ জন। শনাক্তের মধ্যে নগরে ৬৩ হাজার ৬১৫ জন। উপজেলায় ২১ হাজার ৫২৯ জন। নতুন ১০ মৃত্যুর মধ্যে ৪ জন নগরে, ৬ জন উপজেলার। এ পর্যন্ত মোট ৯৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯১ জন নগরের। উপজেলায় মারা গেছেন

৪০৩ জন। হাসপাতালগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন যে হারে করোনা রোগী বাড়ছে, তাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া গ্রামে সংক্রমণ বাড়ছে খুব দ্রুত। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে শয্যা খালি নেই। চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে যেসব করোনা রোগী ভর্তি হচ্ছে, তাদের ৯০ শতাংশের লাগছে আক্সিজেন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অক্সিজেনের সরবরাহের তুলনায় রোগী বেশি হয়ে যাওয়ায় অক্সিজেন ভাগাভাগী করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে। অন্য হাসপাতালের চিত্রও একই।

চমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটের প্রধান ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা এখন জাতীয় অক্সিজেন লাইন থেকে দুজনকে অক্সিজেন দিচ্ছি। যেখানে আগে একটি লাইন থেকে একজন রোগীকে দেওয়া হতো। এ ছাড়া হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা দিয়েও রোগীদের অক্সিজেন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. আবদুর রউফ মাসুন আমাদের সময়কে বলেন, আমাদের হাসপাতালে কোনো শয্যা খালি নেই। এর পরও ওয়ার্ডের পাশে বারান্দায় রোগীদের রাখা হচ্ছে। আর অধিকাংশ রোগী হাসপাতালে আসছেন শেষ সময়ে। ফলে ৯০ শতাংশ রোগীর লাগছে অক্সিজেন সাপোর্ট।

advertisement