advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিশ্বব্যাংকের দাবি
রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ নেই

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
৪ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৩ আগস্ট ২০২১ ১০:৫৪ পিএম
advertisement

বাংলাদেশসহ কোনো দেশের শরণার্থীর বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সুপারিশ করেনি বলে দাবি করেছে বিশ্বব্যাংক। তবে তারা জানিয়েছে, আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যতদিন নিরাপদে এবং স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে না যাবেন, ততদিন বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশকে সাহায্য করবে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রশ্নোত্তর আকারে গতকাল প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক বলেছে, রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশকে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো

সুপারিশ তারা করেনি। মিয়ানমার থেকে প্রাণের ভয়ে পালিয়ে আসা সংখ্যালঘু এই মুসলমান জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলাদেশকে সহায়তায় বিশ্বব্যাংক কাজ করছে। আর শরণার্থীদের রূপরেখার যে পর্যালোচনা, সেটি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে হয়েছে।

গত সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, রোহিঙ্গারা শরণার্থী নয়। সে কারণে শরণার্থীদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশ্বব্যাংক যে রূপরেখা দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে, সেটা বাংলাদেশের জন্য নয়, ১৬টি দেশের জন্য প্রযোজ্য। যেসব দেশে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, সেখানে যাতে আত্তীকরণ করা যায়, যাতে শরণার্থী ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি কমে, শরণার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়া যায়, সে জন্য বিশ্বব্যাংক এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

বিশ্বব্যাংকের বিবৃতিতে বলা হয়, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর রোহিঙ্গা ঢলের প্রভাব কমাতেও বিশ্বব্যাংক সহায়তা করছে।

শরণার্থী নীতিমালার পর্যালোচনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিশ্বব্যাংক বলছে, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্য, অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, পানি ও পয়োনিষ্কাশন, জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর সড়কসহ মৌলিক অবকাঠামো, সৌরবাতি ও দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ৫৯০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কক্সবাজারের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার কী, সেটা বুঝতে সহায়তা করছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, এ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে ৫৯০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে। যার পুরোটাই অনুদান, ঋণ নয়। শরণার্থী ও তাদের আশ্রিত দেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য কার্যকারিতা ও প্রভাব মূল্যায়নের লক্ষ্যে শরণার্থী নীতিমালার পর্যালোচনা করা হয় বলে বিশ্বব্যাংক তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে। এই মুহূর্তে শরণার্থীদের আশ্রয় দিচ্ছে, এমন ১৪টি দেশের প্রতিটির জন্য এ পর্যালোচনা করা হয়েছে।

advertisement