advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

টিকা নিশ্চিত করে শাস্তি দিন

১১ আগস্টের পর ১৮ বছরের বেশি কেউ টিকা গ্রহণ ছাড়া বাইরে বের হলেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ- এমন ঘোষণার তীব্র সমালোচনা চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একেবারেই অযৌক্তিক। কারণ এই সময়ের মধ্যে সবাইকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়নি। টিকা নিশ্চিত না করে শাস্তির ব্যবস্থা করলে তা হবে অন্যায়

কবির হোসেন ও ইউসুফ আরেফিন
৪ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৪ আগস্ট ২০২১ ০৮:৫৬ এএম
পুরোনো ছবি
advertisement

প্রায় ১৭ কোটি জনসংখ্যার দেশে এখনো এক কোটি মানুষকেও টিকা দেওয়া যায়নি। দেশে জনসংখ্যার অনুপাতে টিকার মজুদও পর্যাপ্ত নয়। অথচ আগামী ১১ আগস্টের পর ১৮ বছরের ওপরের কেউ টিকা গ্রহণ ছাড়া বাইরে বের হলেই শাস্তির মুখোমুখি হবেন। সরকারের দায়িত্বশীল একজন মন্ত্রীর এমন ঘোষণার তীব্র সমালোচনা চলছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় অবশ্য বলছে, তথ্যটি সঠিক নয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মন্ত্রীর ওই বক্তব্য একেবারেই অযৌক্তিক। কারণ এ সময়ের মধ্যে সবাইকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়নি। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত না করেই শাস্তির ব্যবস্থা করলে তা হবে অন্যায়। আগে টিকা নিশ্চিত করেন, তার পর শাস্তি দিন। গতকাল মঙ্গলবার কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে প্রেসব্রিফিংয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘১১ আগস্ট থেকে ১৮ বছরের ওপরের কোনো মানুষ টিকা ছাড়া মুভমেন্ট করলে সেটিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। রাস্তাঘাটে, গাড়িঘোড়ায়, মোটরসাইকেল, সাইকেল, টেম্পো, বাস, ট্রেন লঞ্চে হোক চলাচল করলে টিকা নেওয়া থাকতে হবে। আমরা সে সুযোগ করে দিচ্ছি। আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। কেউ টিকা নিয়েছে কিনা, সে তথ্য ওয়েবসাইটে চলে যাবে। ফলে কেউ মিথ্যা বলতে পারবে না। দোকানপাট খোলার আগে ৭, ৮, ৯ আগস্ট তিনদিন সুযোগ রাখলাম। এ সময়ের মধ্যে যাতে টিকা নিতে পারে সেই সুযোগ দিচ্ছি। ১১ আগস্ট

থেকে যাতে দোকানপাট খুলতে পারে সভা সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’
গ্রামে গ্রামে টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ বলতে পারবে না ভ্যাকসিন পাইনি। আইন না মানলে অধ্যাদেশ জারি করে হলেও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা বিভিন্ন লেভেলে দেওয়া হতে পারে, যদি আবেদন-নিবেদনে কাজ না হয়। মাস্ক না পরলে, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে কঠোর অবস্থানে যাব।’ মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনার পর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি দিয়ে জানায়, টিকা নেওয়া ছাড়া ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে কেউ বাইরে বের হতে পারবে না- এ তথ্যটি সঠিক নয়। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও বলা হয়নি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘৭ আগস্ট থেকে সাত দিনের জন্য দেশের প্রত্যেক ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে প্রায় এক কোটি টিকা দেব। সেই টিকা দিতে অনেকের সহযোগিতা লাগবে। এ জন্য আজ সভা করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বাহিনী প্রধানদের কাছে সাহায্য চেয়েছি। টিকার পাশাপাশি মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে যদি সঠিকভাবে এনফোর্স করতে চাই তা হলে পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, যাতে কিনা মাস্ক যারা পরবে না তাদের কিছুটা হলেও জরিমানা করতে পারে। এ জন্য অধ্যাদেশ লাগবে। আলোচনা হয়েছে, হয়তো বা আমরা সেদিকেও যাব।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে এ পর্যন্ত মোট টিকা এসেছে ২ কোটি ৫৫ লাখের মতো। এর মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১ কোটি ১৮ লাখ ২৬ হাজার ২০০, ফাইজারের ১ লাখ ৬২০, সিনোফার্মের ৮১ লাখ এবং মডার্নার ৫৫ লাখ ডোজ। যা প্রত্যেককে দুই ডোজ করে মোট এক কোটি সাড়ে ২৭ লাখ লোককে দেওয়া সম্ভব। এর মধ্যে ৩ আগস্ট পর্যন্ত করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৩ জন। এর মধ্যে ৯৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৭ জন প্রথম ডোজের টিকা গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছে ৪৩ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৪ জন। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত টিকা মজুদ আছে ১ কোটি ১৪ লাখের মতো, যা ৫৭ লাখ লোককে দেওয়া সম্ভব।
জানা গেছে, সরকার দেশের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে টিকার আওতায় আনতে চায়। সে হিসাবে ১৩ কোটি ৫২ লাখ ৮ হাজার মানুষকে টিকা দিতে হবে। সে জন্য দুই ডোজের টিকার ক্ষেত্রে প্রয়োজন ২৭ কোটি ৪ লাখ ১ হাজার ৬০০ ডোজ। তবে এক ডোজ টিকার ক্ষেত্রে কিছু কম প্রয়োজন হবে। সরকার জনসন অ্যান্ড জনসনের এক ডোজের টিকা ৭ কোটি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে ক্ষেত্রে মোট টিকার প্রয়োজন হতে পারে ২০ কোটি ৪ লাখ ১ হাজার ৬০০ ডোজ। এ হিসাবে এখনো বিপুলসংখ্যক টিকা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
এ ছাড়া সরকার আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের ১৪ হাজার কেন্দ্রে গণটিকা কার্যক্রম শুরু করছে। এক সপ্তাহের মধ্যে সরকার ১ কোটি লোককে টিকা দিতে চায়। এভাবে টিকা দিলেও খুব কম সংখ্যক মানুষই টিকা পাবেন ১১ আগস্টের আগে। এমনই এক পরিস্থিতিতে ১১ আগস্টের পর টিকা ছাড়া বাইরে বের হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে শাস্তি দেওয়াটা অযৌক্তিক বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
জানতে চাওয়া হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ও আইইডিসিআরের সাবেক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ আমাদের সময়কে বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যটা একেবারেই অযৌক্তিক। কারণ সরকার এখন পর্যন্ত মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষকে দুই ডোজ টিকা দিতে পেরেছে। এখন যদি বলা হয় ১১ তারিখের পর টিকা না নিয়ে বাইরে বের হলে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বের মানুষকে ধরা হবে তা হলে এটা অন্যায় হবে। কারণ আপনি তো তাকে টিকাই দিতে পারেননি, ধরবেন কীভাবে। আগে টিকার ব্যবস্থা করতে হবে, তার পর শাস্তি দিতে হবে।
তিনি বলেন, করোনা নিয়ে মূল কাজগুলো আমরা করতে পারিনি। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেট করার কাজটি কখনই হয়নি। এখনো হচ্ছে না। ফলে করোনা হু হু করে বেড়েই চলেছে। ডা. বেনজির আরও বলেন, লকডাউন শিথিল হওয়ার আগে যদি আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়ে যায় তা হলে হয়তো সরকারকে আবার লকডাউনের দিকেই যেতে হবে। তবে লকডাউন এখানে ভালো ফল দেয়নি। কারণ লকডাউন বাস্তবায়ন হয়নি ঠিকভাবে। লকডাউন দেওয়া আবার এর মধ্যে গার্মেন্টস খুলে দেওয়া, সবকিছুর মধ্যে হযবরল অবস্থা। ফলে করোনা নিয়ন্ত্রণ তো হয়নি, বরং আরও বিস্তার ঘটেছে। এখন লকডাউন উঠে গেলে আমাদের নিয়তির ওপরই নির্ভর করতে হবে। কিন্তু নিয়তি ভালো হবে না বলে আশঙ্কার কথা জানান এ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ।
জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, আমি মন্ত্রীর বক্তব্যকে ইতিবাচকভাবেই নিতে চাই। কারণ হয়তো সবার টিকার ব্যবস্থা করেই মন্ত্রী এমন কথা বলেছেন। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যাদের বাইরে বের হতে হয় তাদের টিকা নিয়ে বের হতে হবে। কিন্তু যারা প্রবীণ, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত, ঘরেই থাকেন তাদের আগে টিকা দেওয়া দরকার। মানুষ যেন টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ হয় সে জন্য জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, মসজিদ মন্দিরের ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের মাধ্যমে মানুষকে টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। কারণ আইননির্ভর জনস্বাস্থ্যব্যবস্থা দিয়ে সফল হওয়া যায় না। আইন থাকতেই পারে। এটা মূল বিষয় নয়। সম্পূরক ব্যবস্থা হিসেবে থাকতে পারে। বাংলাদেশের মানুষ টিকা পেয়ে যাবে বলেও মনে করেন প্রখ্যাত এ জনস্বাস্থ্যবিদ।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী আমাদের সময়কে বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যবস্থাপনা সব সময়ই উল্টো পথে হেঁটেছে। যেটি করার কথা সেটি না করে অন্যটি করা হয়েছে। সরকার ৭ আগস্ট থেকে এক সপ্তাহে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যা খুবই প্রশংসনীয়। কিন্তু ১১ তারিখের পর ১৮ বছরের বেশি বয়সী মানুষ টিকা না নিয়ে রাস্তায় বের হলেই জেল-জরিমানার যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তা একেবারেই অযৌক্তিক। কারণ এ সময়ের মধ্যে সরকার সবাইকে টিকা দিতে পারবে না। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বাস্তবতাবিবর্জিত।
তিনি বলেন, এ জাতীয় বক্তব্য না দিয়ে টিকা প্রদান কার্যক্রম বেগবান করার পাশাপাশি জনসাধারণকে মাস্ক পরার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এ জন্য পাড়া-মহল্লায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক টিম তৈরি করতে হবে। এসব টিম মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা নেওয়া ও মাস্ক পরার বিষয়ে তাদের সচেতন করবে। ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, সামর্থ্যহীন মানুষের মধ্যে কাপড়ের মাস্ক বিতরণ করতে হবে। এ ছাড়া অভাবগ্রস্ত মানুষের ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়ে তাদের বাইরে বের হওয়ার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। এসব কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চালাতে পারলে করোনা নিয়ন্ত্রণে আমরা সফল হতে পারব।
১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়লো লকডাউন
করোনা ভাইরাসের বিস্তাররোধে চলমান লকডাউন একই শর্তে আরও পাঁচ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পর থেকে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সব অফিস ও আদালত খুলে দেওয়া হবে। তবে সবার অফিস করতে হবে টিকা নিয়ে। আগামী এক সপ্তাহে এক কোটি লোককে টিকা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এ ছাড়া লকডাউন উঠে গেলেও যানবাহন চলবে ‘রোটেশন করে’ সীমিত পরিসরে। এক্ষেত্রে ভ্যাকসিন না নিলে কেউ গণপরিবহনে চলাচল করতে পারবেন না। আজ বুধবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আরও বেশ কয়েক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে আগামী শনিবার থেকে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৪ হাজার কেন্দ্রে একযোগে গণটিকাদান শুরু করবে সরকার। সাত দিনে প্রায় এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এতে অগ্রাধিকার পাবেন বয়স্করা। এ ছাড়া শ্রমজীবী, দোকানদার ও গণপরিবহনের কর্মীদের নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে টিকা নিতে হবে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আগামী এক সপ্তাহে এক কোটির বেশি মানুষকে টিকা দেবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে ন্যূনতম দুটি করে কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। আশা করছি, কষ্ট করে আর ভ্যাকসিন নেওয়ার পেছনে দৌঁড়াতে হবে না। প্রায় ১৪ হাজার কেন্দ্রে একসঙ্গে সপ্তাহব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেখানে বয়স্কদের অগ্রাধিকার এবং শ্রমজীবী মানুষ, দোকানদার, বাসের হেলপারদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। আর সেটি নিতে হবে যার যার এলাকা থেকে। ভ্যাকসিন না দিয়ে কেউ কোনো কর্মস্থলে আসতে পারবেন না।’
দেশে কঠোর লকডাউন শুরু হয় গত ১ জুলাই থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করেই মাঝে ঈদ উপলক্ষে ১৫ থেকে ২২ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত তা শিথিল করা হয়। ২৩ জুলাই থেকে আবার লকডাউন শুরু হলেও এর মধ্যে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ বিবেচনায় লকডাউন আরও পাঁচদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

advertisement