advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আফগান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবন লক্ষ্য করে গাড়িবোমা হামলা

অনলাইন ডেস্ক
৪ আগস্ট ২০২১ ১০:০২ এএম | আপডেট: ৪ আগস্ট ২০২১ ০১:০৮ পিএম
কাবুলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের স্থানে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী। ছবি : আলজাজিরা
advertisement

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবন লক্ষ্য করে শক্তিশালী গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময় তার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় বন্দুকধারীরা। এ সময় আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে তিন বন্দুকধারীসহ ৪ জন নিহত হয় বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।

বোমা হামলার পর ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লাহ মোহাম্মদী বলেন, হামলায় তার এবং পরিবারের সদস্যদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু তার কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন।

দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে সুরক্ষিত ‌‘গ্রিন জোন’ এর কাছে গাড়ি বোমা হামলা হয়, সেখানে সরকারি ভবন এবং বিদেশী দূতাবাসগুলোর আবাসস্থল রয়েছে। হামলার লক্ষ্যই ছিল ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাড়ি এবং এর সংলগ্ন সংসদ সদস্যের বাসস্থান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিরওয়াইস স্টানেকজাই বলেন, প্রথম বিস্ফোরণের পর বন্দুকধারীরা ওই এলাকায় প্রবেশ করে। তিনি বলেন,  হামলাকারী সবাই নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে নিহত হয়েছে এবং পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বিস্ফোরণের পর মন্ত্রীর বাড়ি এবং গেস্টহাউসের দিকে যাওয়ার সমস্ত রাস্তা বন্ধ ছিল বলেও জানান মিরওয়াইস স্টানেকজাই।

গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের দুই ঘণ্টারও কম সময়ে আরেকটি জোরালো বিস্ফোরণ হয়। ওই সময় দ্রুত গোলাগুলিতে আবারও কাবুল কেঁপে উঠে, যা শহরের একই এলাকা বলে মনে হয়েছিল।

কাবুল পুলিশ প্রধানের মুখপাত্র ফেরদাউস ফারামার্জ বলেন, এলাকার শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। তিনি বলেন, নিরাপত্তা কর্মীরা ঘরে ঘরে তল্লাশি চালাচ্ছে, যদি আরও হামলাকারী ওই এলাকায় লুকিয়ে থাকে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দস্তগীর নাজারি জানিয়েছেন, কমপক্ষে ১১ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে নেওয়া হয়েছে। তবে কোনো গোষ্ঠী তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের বিভিন্ন শহরে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তালেবান যোদ্ধাদের চলমান তুমুল লড়াইয়ের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে প্রাদেশিক রাজধানী হেরাত, কান্দাহার ও লস্কর গাহ (হেলমান্দ) নিয়ন্ত্রণে তুমুল লড়াই চলছে।

advertisement