advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

এমন উইকেটে ১০-১৫টা ম্যাচ খেললে ক্যারিয়ার শেষ : সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৫৮ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০৯
সংগৃহিত
advertisement

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে বিশ্বসেরা দুই দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পরও ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্লান হয়েছে সব। বিশ্বকাপের আগে যেমন প্রস্তুতির আভাস দিয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট; তার ছিঁটে ফোঁটাও দেখা মিলেনি শেষ দুই সিরিজে। আসলে সমস্যা ছিল কোথায়? অনেকের মতে স্লো-টার্ন উইকেট বানিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করছে বাংলাদেশ। তবে প্রস্তুতির যে ইঙ্গিত ছিল তা হয়েছে ম্লান।

মিরপুরের উইকেটে ১২০ রান হলেই যেন লড়াই করার শ্রেষ্ঠ পুঁজি। এমন উইকেটে ওপেনার থেকে শুরু থেকে মিডল অর্ডার পর্যন্ত সবাই হয়েছে ব্যর্থ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেমনটা হওয়া উচিত তার কিছুই হয়নি মিরপুরে। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতো এমন উইকেটের সমালোচনা করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও। তার মতে, এমন উইকেটে ১০ থেকে ১৫টা ম্যাচ খেললে যে কোনো ব্যাটসম্যানের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে।

শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এসে সাকিব বলেন, ‘এই ৯ থেকে ১০টা ম্যাচ যারা খেলেছে সবাই অফ ফর্মে আছে। উইকেটটাই এমন। এখানে কেউ খুব একটা ভালো করেনি যে, বলতে পারবেন ও ভালো করেনি। ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রে এই পারফরম্যান্স খুব একটা গণ্য না করাই ভালো। এরকম উইকেটে কোনো ব্যাটসম্যান ১০-১৫টা ম্যাচ খেললে তার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। এটা কাউন্ট না করি আমরা। যারা দলে আছে সবাই দেশকে জেতানোর সামর্থ্য রাখে। যার যার জায়গা থেকে সবাই শতভাগ চেষ্টা করছে।’

তবে টানা সিরিজ জয়ে মানসিক দিক থেকে উন্নতি দেখছেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি খুবই ভালো হয়েছে। এর বড় কারণ হচ্ছে গত তিনটা সিরিজ আমরা জিততে পেরেছি। হয়ত পিচ, উইকেট, লো স্কোর নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু জয়ের কোনো বিকল্প নেই। একটা দল যখন জিততে থাকে, জয়ের মানসিকতা থাকে, তা অন্য পর্যায়ের আত্মবিশ্বাস দেয়। আপনি অনেক ভালো খেলে ম্যাচ হারলে এই আত্মবিশ্বাস থাকবে না। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা বিশ্বকাপে যেতে চাই।’

আসন্ন বিশ্বকাপ হবে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ওমানে না খেললেও আরব আমিরাতের মাঠগুলো সাকিবের খুব চেনা। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপ শুরুর ১৫ থেকে ১৬ দিন আগে যাব, প্রস্তুতির যথেষ্ট সময় থাকবে। ওই কন্ডিশন ও পিচের সাথে মানিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সময় পাব। আমার মনে হয় না এখানকার পিচ-কন্ডিশন ওখানে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে। আমাদের জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে। যে আত্মবিশ্বাস আছে, সেটা নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারব।’

advertisement