advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জলবায়ু পরিবর্তনে সামাজিক খাত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:১৬ এএম
advertisement

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক খাত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় যে বাজেট বরাদ্দ করা হয় তা বর্তমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় খুবই অপ্রতুল বলেও মনে করেন তারা। গতকাল অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন অন বাংলাদেশ ক্লাইমেট বাজেট (২০২১-২২)’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন ও লস অ্যান্ড ডেমেজের মতো বিষয়গুলো জলবায়ু বাজেটে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তা ছাড়া নারীর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের বৈষম্যমূলক প্রভাব সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে খর্ব করে। কার্যকর জলবায়ু কর্ম পরিকল্পনা তৈরিতে অবশ্যই লৈঙ্গিক বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগী হতে হবে। জেন্ডারভিত্তিক বাজেট নিয়ে সরকারি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ধারণা আরও বাড়াতে হবে। জেন্ডার সংবেদশীল জলবায়ু বাজেট নিয়ে গভীর জ্ঞান ও প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।

এ ওয়েবিনারে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ড. মিজান আর খান, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি ফেরদৌসি বেগম, অ্যাকশনএইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের ২৫টি মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের জন্য ৮ শতাংশেরও কম বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ২০২১-২২ অর্থবছরের মোট জাতীয় বাজেটের ৫৭.৩৩ শতাংশ অর্থাৎ ২৫১২৪. ৯৮ কোটি টাকা। কিন্তু এর মধ্যে অপারেটিং বাজেটের অধীনে ১০২৮৬.১৭ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন বাজেটের অধীনে ১৪.৮৩৮.৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গত বছরের বরাদ্দের তুলনায় চলতি অর্থবছরের বাজেট ৭.৪৮ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭.২৬ শতাংশ। তা ছাড়া আগের বছরের তুলনায় বাজেটে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ৪২৭.১৯ কোটি টাকা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১১৩.৩২ কোটি টাকা কমেছে।

advertisement