advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

‘বাসায় আমি ছাড়া আর কোনো কিছুই নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:৪১ পিএম | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:১৭ পিএম
চিত্রনায়িকা পরীমনি। পুরোনো ছবি
advertisement

বাসায় তার কোনো কিছুই নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি। আজ বুধবার আদালতে হাজিরা দিতে এসে এ কথা বলেন।

পরীমনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন আমার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে, তখন সব ড্রয়ার ও আসবাবপত্র তছনছ করে ফেলে। এমনকি প্রেসক্রিপশনসহ আমার ওষুধের বক্সটা পর্যন্ত তারা নিয়ে যায়।’  তিনি আরও বলেন, ‘আমার গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসের কোনো কাগজপত্র আমার কাছে নেই। বাসায় আমি ছাড়া আর আমার কোনো কিছুই নেই।’

আজ বুধবার পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভী তার (পরীমনির) সাদা রঙের গাড়ি, মোবাইল, ল্যাপটপসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জব্দ হওয়া জিনিসপত্র চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের পর পরীমনি এসব কথা বলেন। এদিন অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী পরীমনির সাদা রঙের গাড়ি, মোবাইল, ল্যাপটপসহ অন্যান্য প্রযয়োজনীয় জব্দ হওয়া জিনিসপত্র চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘আমরা আদালতে দুইটি আবেদন করেছি। একটি পরীমনির ব্যবহৃত সাদা গাড়িটি জিম্মায় নেওয়ার এবং আরেকটি হচ্ছে তার মোবাইল ল্যাপটপসহ জব্দ করা অন্যান্য জিনিসপত্রের। এগুলো পরীমনির নিজের ব্যবহৃত জিনিস। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এগুলো জব্দ করে। সেজন্য আমাদের কাছে কোনো ডকুমেন্ট নেই। যেহেতু তিনি একজন অভিনেত্রী। অন্ততপক্ষে গাড়িটি যেন তার জিম্মায় দেওয়া হয়।’

এরপর পরীমনি আদালতকে বলেন, ‘গাড়িটি আমার। গাড়ির সকল কাগজপত্র আমার কাছে আছে। গাড়িটি না থাকায় আমি চলাচলে খুব সমস্যা বোধ করছি। মোবাইলের কারণে আমি কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। জব্দ হওয়া প্রসাধনীর বক্সটি আমার খুব প্রয়োজন। এ ছাড়া চাবির বক্স রয়েছে। এগুলো আমার খুব প্রয়োজন। আমি অনুরোধ করছি এগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।’

শুনানি শেষে বিচারক তদন্ত কর্মকর্তাকে বিআরটিএ থেকে গাড়ির সঠিক মালিকানা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। শুনানি শেষ হওয়ার পর দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আদালত থেকে চলে যান পরীমনি।

আজ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত সিকদারের আদালতে তিনি হাজিরা দেন। এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় বিচারক আগামী ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বিকেলে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর আবারও ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন তিনি কারামুক্ত হন।

advertisement