advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হল না খুলেই পরীক্ষা, বিপাকে রাবির হাজারো শিক্ষার্থী

রাবি প্রতিনিধি
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:১৪ পিএম | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:৫৯ পিএম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
advertisement

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বন্ধ রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। তবে সেশনজট কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের রুটিন প্রকাশ করেছে। তবে পরীক্ষার আগে হল খোলার কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে পরীক্ষা দিতে আসা কয়েক হাজার শিক্ষার্থী আবাসন সংকটে পড়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, করোনাকালে অনেকে মেসের সিট ছেড়ে দিয়েছে। দীর্ঘ দিন বাড়িতে থাকার ফলে এখন এত কম সময়ে রাজশাহী এসে মেস খোঁজা মুশকিল। এরপর আবার অনেকের রয়েছে আর্থিক সংকট। হঠাৎ করে এসে মেসে উঠার সামর্থ্য নেই অনেকের। মেসের সিট ভাড়াও আগের চেয়ে অনেক বেশি করে চাইছেন মেস মালিকরা। এ ছাড়া হল বন্ধ থাকায় আবাসিক শিক্ষার্থীরাও নতুন করে মেসের সিট খুঁজছেন। এতে শহরের বেশিরভাগ মেসের সিট পূর্ণ হয়ে গেছে। তাই বেশি টাকায় অনেক খারাপ জায়গাও থাকার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। যেসব শিক্ষার্থীর পরীক্ষা রয়েছে শুধু তাদের জন্য হলেও হল খুলে দেওয়ার দাবি তাদের।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, বাংলা ও দর্শনসহ প্রায় ২০টি বিভাগ চলতি মাসের শেষের দিক থেকে পরীক্ষা গ্রহণের চূড়ান্ত রুটিন প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া ২০১৯ সালের আটকে থাকা বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষাও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রায়হান ইসলাম বলেন, ‘আগামী ২৬ তারিখ থেকে আমাদের পরীক্ষা শুরু হবে। গত দুই দিন আগে পরীক্ষার রুটিন দেখেই রাজশাহী এসেছি। দুই দিন ধরে মেস খুঁজছি কিন্তু কোনো মেসে সীট পাচ্ছি না।’

মার্কেটিং বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী জারিফ হাসান বলেন, করোনাভাইরাসের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের কারণে কয়েক মাস পর মেস ছেড়ে দিয়েছিলাম। এখন পরীক্ষার রুটিন পেয়ে নতুন করে মেস খুঁজতেছি কিন্তু গত দুই দিনে কোথাও সিট পাইনি। দীর্ঘ দিন পড়াশুনার বাইরে থাকায় পরীক্ষা নিয়ে আছি দুশ্চিন্তায়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম টিপু বলেন, ‘আমরা যে শিক্ষার্থীদের কথা ভাবছি না তা নয়। দীর্ঘ দিন ধরে হল বন্ধ থাকায় সেগুলো পরিষ্কার-পরিছন্ন করারও একটা ব্যাপার আছে। অন্যথায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। তা ছাড়া সরকার কোভিড পরিস্থিতিতে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে ভাবছে। তাদের ভাবনার সঙ্গে আমাদের ভাবনারও সামঞ্জস্য রাখা দরকার। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত হল খোলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছে।’

advertisement