advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ঘর নির্মাণে কারচুপি

খরচ বাঁচাতে নকশা পরিবর্তন

বরগুনা প্রতিনিধি
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:৫৯ পিএম
advertisement

বরগুনা সদরে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। খরচ বাঁচাতে বদলে ফেলা হয়েছে এসব ঘর নির্মাণে প্রকল্প নির্ধারিত নকশা। অন্যদিকে মূল ঘরের মেঝের উচ্চতা দুই ফুট হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে উচ্চতা দেওয়া হয়েছে তার অর্ধেক। ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। মূল ঘর এবং বারান্দায় পৃথক তিনটি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে একটি চাল। এতে ঘরের সৌন্দর্য যেমন হারিয়েছে তেমনি বেড়েছে দুর্যোগ ঝুঁকিও। এভাবে নানা কারচুপির মধ্য দিয়ে এ প্রকল্প থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যরা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের দক্ষিণ খেজুরতলা গ্রামে দরিদ্র অসহায় গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ২১৯টি ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যেই সেসব ঘরের ৩০টি হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও ১০০টি ঘরের নির্মাণ কাজও প্রায় শেষের দিকে। প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী এসব ঘরের সামনে পেছনের বারান্দা এবং মূল কক্ষের তিনটি চাল পৃথক পৃথকভাবে বানানোর কথা, অথচ নির্ধারিত নকশা অনুসরণ না করে খরচ বাঁচাতে মূল ঘরসহ সামনে পেছনের বারান্দার চাল এক করে দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তিনি এসব বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এ বিষয়ে বরগুনা সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জিয়াউর রহমান জানান, তিনি অতি সম্প্রতি বরগুনায় যোগদান করেছেন। তাই তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারবেন না। তবে এসব ঘর তিনি দেখেছেন এবং প্রকল্প নির্ধারিত নকশার সঙ্গে নির্মিত ঘরের ভিন্নতা রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ প্রকল্পের শুরু থেকে প্রথম ধাপের ৩০টি ঘর হস্তান্তরের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন মাসুমা আক্তার। সম্প্রতি অন্যত্র তার বদলি হলে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সম্প্রতি যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিয়া শারমিন। অসহায় গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার এসব গৃহনির্মাণে কোনো অনিয়ম থাকলে তা খতিয়ে দেখে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অনিয়মে যেই জড়িত থাকুক কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

advertisement
advertisement