advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

উপবৃত্তির টাকা প্রধান শিক্ষকের মোবাইলে

বরিশাল ব্যুরো ও উজিরপুর প্রতিনিধি
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:৫৯ পিএম
advertisement

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হলেও উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এলাকার সঞ্জিব চন্দ্র শীলের মেয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী জয়িতা শীলের নাম ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষক বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে আসা তিনবারের উপবৃত্তির ১৯০০ টাকা উত্তোলন করেন। কিন্তু ক্লাসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জয়িতা নামের কোনো শিক্ষার্থী স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে নেই। অন্যান্য শিক্ষক বা শিক্ষার্থীরা জয়িতা নামের কোনো ছাত্রীকে কখন দেখেননি। এ নিয়ে এলাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগেও ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্যান্য শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষকরা।

বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় পূর্বের অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত চলাকালে ফের ভুয়া শিক্ষার্থী সাজিয়ে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অমল মল্লিক জানান, প্রায়ই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায়। এ আর নতুন কি? একাধিক অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করার পরেও লাভ হয় না। এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

অভিযুক্ত বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জয়িতা আমার ভাগ্নি হয়। তারা বরিশাল থাকে। তারা গরিব অসহায়। তাই তাদের মোবাইল ফোন না থাকায় আমার মোবাইল নম্বর দিয়ে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন আহম্মেদ জানান, প্রধান শিক্ষক তো দূরের কথা, কোনো শিক্ষার্থীর পরিবর্তে অন্য কারো নম্বর দেওয়া আইনসম্মত নয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাছলিমা বেগম জানান, অনিয়মের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা হবে।

বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ. লতিফ মজুমদার জানান, কোনো শিক্ষার্থীর নাম দিয়ে অন্য কারো মোবাইল নম্বর দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভাগীয় উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, কোনো অন্যায়কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

advertisement
advertisement