advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ভালুকায় বনের জমিতে প্রাচীর নির্মাণ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:৪৪ পিএম
advertisement

ভালুকা উপজেলা হবিরবাড়ি বিটের জামিরদিয়া মৌজায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থানীয় এক প্রভাবশালী বন বিভাগের শত কোটি টাকার প্রায় ৩০ একর সংরক্ষিত বনভূমি জবর দখলের উদ্দেশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছিলেন। তবে অভিযোগ পেয়ে ভালুকা থানাপুলিশ প্রাচীর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

এর আগে ২০১৯ সালে একই জমি জবরদখলের উদ্দেশ্যে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন ভালুকা থানাপুলিশের সহযোগিতায় সীমানা প্রাচীরটি ভেঙে ফেলে দুর্নীতি দমন কমিশন।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা একেএম রুহুল আমীন জানান, ভালুকা উপজেলা হবিরবাড়ি বিটের জামিরদিয়া মৌজায় সিএস ৬৭ নম্বর দাগে মোট জমি ৪৫ দশমিক ৮৮ একর। যৌথ জরিপ অনুযায়ী এর মধ্যে বন বিভাগের সংরক্ষিত জমি ৩০ একর। একই দাগে অনুমান ৫ একর জমি জনৈক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর নামে রয়েছে। বন বিভাগের জমির তিনদিকে ব্যক্তি মালিকানার জমি এবং একদিকে রাস্তা। বন বিভাগের জমি জবর দখলের উদ্দেশ্যে সেই রাস্তার পাশেই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। বন বিভাগের অভিযোগ আদালতের

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর পক্ষে স্থানীয় প্রভাবশালী বেলাল ফকির তার লোকজন দিয়ে প্রকাশ্যে বন বিভাগের জমিতে প্রাচীর নির্মাণ করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ২৩/২০১৭ সিভিল পিটিশন মোকদ্দমায় বিচারক চলতি বছর ২১ সেপ্টেম্বর ৬৭ নম্বর দাগের তফসিলে বর্ণিত জমিতে বাদী ও বিবাদী পক্ষকে প্রবেশ না করে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করেন।

এদিকে বন বিভাগ তাদের জমিতে নির্মিত প্রাচীর ভেঙে ফেলার আবেদন জানিয়েছে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে।

এ ব্যাপারে ভালুকায় আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর স্থানীয় এজেন্ট বেলাল ফকিরের মোবাইল নম্বরে বারবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম গতকাল সন্ধ্যায় জানান, বন বিভাগের অভিযোগের ভিত্তিতে দুপুরে পুলিশ সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

advertisement