advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দক্ষিণ কোরিয়াতে করোনা টিকা নেওয়ার পরেও ৪ হাজার জন আক্রান্ত

অসীম বিকাশ বড়ুয়া,দক্ষিণ কোরিয়া
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:৫০ এএম | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:০৬ পিএম
সিউলের একটি বাজারের করোনা টেস্ট কেন্দ্রে ফ্রি টেস্ট করার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন লোকজন। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

দক্ষিণ কোরিয়াতে করোনাভাইরাস এর টিকা নেওয়ার পর যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে ৪০০০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। করোনার ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে না পেরে দেশটির সরকার গত আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকল অভিবাসী ও কোরিয়ান নাগরিকদের পুনরায় বাধ্যতামূলক ফ্রি করোনা টেস্ট করার নির্দেশ প্রদান করেছে। এতে বলা হয়েছে, করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করলেও বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করতে হবে।

কোরিয়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, করোনা টিকার সম্পূর্ণ ডোজ নেওয়ার পরেও গণহারে কোভিড টেস্ট করার পর ৪০০০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন এজেন্সি (কেডিসিএ) জানিয়েছে, গত আগস্ট পর্যন্ত মোট জনসংখ্যার ৯.৭৫ মিলিয়ন মানুষ করোনা টিকার সম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ করেছে এবং তাদের মধ্যে থেকে ৩৮৫৫ জন পুনরায় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে কেডিসিএ বলেছে, বয়স্কদের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার হার ছিল খুবই কম, কিন্তু ৩০ বছরের নিচে সর্বোচ্চ ০.০৯২ শতাংশ আক্রান্ত হয়েছে। করোনা টিকা নেওয়ার পরেও আক্রান্তদের মধ্যে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা নেওয়ার পর ০.১৩১ শতাংশ, এস্ট্রোজেনেকার টিকা নেওয়ার পর ০.০৪২ শতাংশ এবং ফাইজারের টিকা নেওয়ার পর ০.০২৩ শতাংশ হারে আক্রান্ত হয়েছে।

এদিকে কেডিসিএ  বলেছে, কোরিয়াতে টিকা যত বেশি মানুষ গ্রহণ করবে, টিকা নেওয়ার পরেও আক্রান্তদের  ঘটনা তত বেশি বাড়তে পারে। তবে টিকা গ্রহণকারীর তুলনায় এ আক্রান্তের হার অত্যন্ত কম। তারা আরও বলেন, টিকা গ্রহণ করলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে এবং মোট টিকাপ্রাপ্তদের থেকে ০.০৪ শতাংশ আক্রান্ত হয়েছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী বৈধ-অবৈধ সকল অভিবাসী ও কোরিয়ানদের ক্রমান্বয়ে টিকা দেওয়া শুরু হলেও ৫২ মিলিয়ন জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ মানুষকে  আসছে অক্টোবরের মধ্যে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে দেশটির সরকার।

এদিকে কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব সূচকে'র টানা পাঁচ দিনের ছুটির পর দেশটিতে একদিনে ৩২৭৩ জনের করোনাভাইরাস সংক্রমণে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। এখনো সংক্রমণ প্রতিদিন ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,সরকার সামাল দিতে ব্যর্থ হলে দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই, দেশজুড়ে ডেল্টার ভয়াবহ সংক্রমণ ২০০০০ জন ছাড়িয়ে গেছে।

তাই, যথাযথভাবে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছেন সিউলের বাংলাদেশ দূতাবাস।

advertisement