advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হলমার্কের পাঁচশ কোটি টাকার সম্পদ বেহাত
আইনানুগ ব্যবস্থা নিন

১১ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২১ ১১:২৪ পিএম
advertisement

বহুল আলোচিত হলমার্কের সম্পদ লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যখন হলমার্কের বিরুদ্ধে মামলা করে, তখন হলমার্কের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক হয়নি। সেই সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছেন প্রভাবশালীরা। দীর্ঘ আট বছরে কারখানার ভঙ্গুর অবকাঠামো ছাড়া লুটপাট হয়ে গেছে অন্তত ৫০০ কোটি টাকার মেশিনারিজ। বেহাত হওয়ার পথে হলমার্কের অনেক জমিও। আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি হলমার্কের এসব মেশিনারিজ লুটপাটে জড়িত।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রভাবশালীরা যে যার ইচ্ছামতো হলমার্কের মালামাল সরিয়ে বিক্রি করেন। জমি আর পরিত্যক্ত ভবন ছাড়া তেমন কোনো মেশিনারিজ এখন আর নেই। পুরো হলমার্ক এলাকা বর্তমানে অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রভাবশালীদের হলমার্কের কারখানার মেশিনারিজ বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বিক্রি করতে কারও অনুমতির প্রয়োজন হয় না। বিষয়টি এমন দাঁড়িয়েছে, কারও টাকা-পয়সার প্রয়োজন হলেই হলমার্কের কারখানার কিছু না কিছু বিক্রি করে দিচ্ছে। প্রথমদিকে রাতের আঁধারে এসব বিক্রি চললেও পরে দিনের আলোতেও লুটপাট হয়েছে।

দুদক আইনজীবী বলেছেন, ‘রায় হলে হলমার্কের সম্পদ সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। এ ছাড়া গণমাধ্যমে সম্পদ বেহাতের বিষয়ে তথ্যবহুল চিত্র এলে আমরা তা আদালতের নজরে আনতে পারব।’ কারখানার সম্পদ অবাধে লুট হওয়ার বিষয়টি ওপেন সিক্রেট অথচ স্থানীয় প্রশাসন কিছুই করছে না, বিষয়টি মেনে নেওয়া যায় না। উপজেলা চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনিও অস্বীকার করেছেন। শর্ষের ভেতরে যদি ভূত থাকে তবে তা তাড়ানো কঠিন। আমরা মনে করি সরকারের দখলদারদের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে তাদের অপরাধমূলক কর্মকা-কে আমলে নিয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। এভাবে হরিলুট চলতে দেওয়া যায় না। আইনের শাসনের বিকল্প নেই।

advertisement