advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

৩০ বিঘা সরকারি জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা
দখলদারদের আইনের আওতায় আনুন

১২ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২১ ১১:৫৭ পিএম
advertisement

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাতখামাইর বিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৩০ বিঘা সরকারি জমি দখল করেছেন বরমী বাজারের খোরশেদ আলম। এরই মধ্যে জমিতে সাইনবোর্ড টানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তার সাইনবোর্ড টানানোর পরই মাথাচাড়া দিয়েছেন ‘রেইন ফরেস্ট’ নামে নির্মাণাধীন একটি অবকাশকেন্দ্রের লোকজন। মূল্যবান গাছ কেটে বনের ভেতর দিয়ে নিজেদের ব্যবহারের রাস্তা বানিয়ে ফেলেছেন তারা। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বাধা দিলেও তোয়াক্কা করেননি। অবশ্য এমন ঘটনা যে এই প্রথমবার ঘটেছে, এমনটি নয়। অতীতেও অনেক ঘটেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বন বিভাগের জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ ছাড়াও শিল্প প্রতিষ্ঠান, মৎস্য খামার, হ্যাচারি ও পোলট্রি ফার্ম গড়ে তোলা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে সড়ক। বনের জমি দখল করতে কোটি কোটি টাকার গাছ আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বনাঞ্চল ধ্বংস করা হয়েছে। একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তির ভোগলিপ্সা ও বন রক্ষায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চরম দুর্নীতি, অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনাই বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়ার প্রধান কারণ। কিন্তু এই দখল দৌরাত্ম্য তো চলতে দেওয়া যায় না। বনভূমি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। দখলকারী ও তাদের মদদদানকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সর্বোপরি বন সুরক্ষা প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের উপলব্ধিতে আসতে হবে। বৃদ্ধি করতে হবে জনসচেতনতাও। জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে বন দখলদারদের প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

আমরা চাই, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সাতখামাইর বিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বেদখল হয়ে যাওয়া জমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার করবে। এর পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানে দখল হয়ে যাওয়া বনভূমিও উদ্ধার করবে। শুধু তা-ই নয়, নতুন করে যাতে কেউ বন বিভাগের জায়গা দখল করতে না পারে- সেই ব্যবস্থা নেবে।

advertisement