advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পিসিআর ল্যাব পরিচালনায় নীতিমালা হয়নি
অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

১৪ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১১:০১ পিএম
advertisement

করোনা ভাইরাস শনাক্তে এখন পর্যন্ত বিশ্বে কয়েকটি নমুনা পরীক্ষা পদ্ধতি থাকলেও আরটি-পিসিআরই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। অনেক আন্দোলন ও সময় ক্ষেপণের পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেশ কিছু আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হলেও এগুলো পরিচালনায় এখনো নীতিমালা হয়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দাবি ছিল র‌্যাপিড টেস্ট মেশিন স্থাপন। সব ল্যাব এখনো এই মেশিন স্থাপন করতে পারেনি। তাই এ পরীক্ষার ক্ষেত্রে সেবামূল্য কত হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হয়নি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রণয়ন করা হয়নি কোনো স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)। সব মিলিয়ে বিমানবন্দরে একটি বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ ও টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য সচিব বলেছেন- মূল্য নির্ধারণ, এসওপি অনুমোদন, ল্যাব পরিচালনার নিয়ম-কানুন তৈরি ইত্যাদি করার ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শুধু কারিগরি বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত। তাদের ওপর যখন যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে, তখন সেটি বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারি কাজ মানেই সময় ক্ষেপণ। চিঠি চালাচালি ও দায় এড়ানো কথাবার্তা।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এক কোটিরও বেশি প্রবাসী এখন বিদেশে আছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত। প্রায় ৩ মাস বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞার পর গত ৪ আগস্ট বাংলাদেশসহ ৬ দেশের যাত্রীদের ট্রানজিট সুবিধা চালু করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। শর্ত দেওয়া হয়, ফ্লাইট ছাড়ার ৬ ঘণ্টার মধ্যে বিমানবন্দরে র‌্যাপিড পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে।

যত দ্রুত সম্ভব বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাববিষয়ক নীতিমালা এবং প্রবাসী শ্রমিকসহ সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী সব যাত্রীর পিসিআর পরীক্ষা নিশ্চিত করা হোক। আমরা আর বিলম্ব দেখতে চাই না। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও গাফিলতির ফলে প্রবাসীদের আর যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়।

advertisement