advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের ৩০ কিমিজুড়ে যানজট

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
১৫ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ১০:৩৯ পিএম
advertisement

সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কসহ হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে তিনটি রুটে প্রায় ৩০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিকল্প রাস্তা হিসেবে সিরাজগঞ্জ শহরে প্রবেশের বিভিন্ন সড়কেও যানবাহন ঢুকে পড়েছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মহাসড়কের জরাজীর্ণ নলকা সেতুর সংস্কার কাজ শুরু করলে যানজটের তীব্রতা বাড়তে থাকে। দিনভর থেমে থেমে যানজট থাকলেও বিকালে তা তীব্র আকার ধারণ করে। বুধবার রাতে যানজটের তীব্রতা আরও বাড়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু সে পশ্চিম মহাসড়কের সয়দাবাদ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর

পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার, হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে ভূঁইয়াগাঁতী ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে রাজশাহী রুটের নাঈমুড়ি বাজার পর্যন্ত উভয় এলাকার ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার যানজট ছড়িয়ে পড়ে।

সড়ক বিভাগ জানায়, ১৯৮৮ সালে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া আঞ্চলিক সড়কের ফুলজোড় নদীর ওপর নলকা সেতু নির্মাণ করা হয়। ১৯৯৮ সালে আঞ্চলিক এ সড়ক মহাসড়কে পরিণত হলেও এ সেতুটির কোনো পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা হয়নি। ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু উদ্বোধনের পর থেকে এ সেতু দিয়েই উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার যানবাহন চলাচল করছে। এ কারণে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সেতুটি একেবারেই জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। এ কাজ চলায় এই সেতুর এক পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। একই সঙ্গে মহাসড়কটিতে উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় যানবাহনের ধীরগতির কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাফিক পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, নলকা সেতুটির অবস্থা খুবই খারাপ। সেতুর দুই পাশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সেতুর ওপরেও রয়েছে খানাখন্দ। তাই এই সেতুটি সংস্কারকাজ চলতে থাকায় একমুখী যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া মহাসড়কে উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় বেশ কিছুদিন ধরে যানজট চলছে। এই কাজগুলো অনেক আগেই করা উচিত ছিল।

সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম জানান, সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার পর সেতুটির মাঝামাঝি পশ্চিমাংশের ওপরে বেশ কিছু গর্ত পাওয়া গেছে। যে কারণে এসব স্থানে স্টিলের পাটাতন দিয়ে সেতুর সংস্কারকাজ শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকটাই শেষ করে আনা হয়েছে। সেতুটির সংস্কারকাজ শেষ করে আশপাশের সড়ক মেরামত করতে আরও ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ নলকা সেতুর ওপরের কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এখন মহাসড়কের বেশ কিছু স্থানে গর্ত ভরাটের কাজ চলছে।

advertisement