advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হিজবুল্লাহর বিক্ষোভ : গোলাবারুদে উত্তাল বৈরুত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২১ ০৭:২৩ এএম
হিজবুল্লাহর বিক্ষোভ চলাকালে এখনো পর্যন্ত অন্তত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল। সংগৃহীত ছবি
advertisement

লেবাননে বিচারক অপসারণের দাবিতে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ডাকা বিক্ষোভ শেষাবধি রক্তক্ষয়ী সহিসংতায় রূপ নিয়েছে। গতকাল রাজধানী বৈরুতে শিয়াপন্থি এ গোষ্ঠীর সমর্থকদের মিছিলে হঠাৎ গোলাবারুদ ছোড়া হলে অন্তত ছয়জন নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। হতাহতের শিকার সবাই শিয়াপন্থি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আল জাজিরা বলছে, একাধিক বিরোধী পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাচারেক ধরে গোলাগুলি চলেছে এদিন। কিন্তু কাউকেই চিহ্নিত করা যায়নি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। জাতিসংঘও সব পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

গত বছরের আগস্টে বৈরুতের একটি রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ২০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ওই বিস্ফোরণের পর দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটে এবং ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক টানাপড়েনের মুখে পড়ে লেবানন। ওই বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে নিযুক্ত বিচারকের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করছে হিজবুল্লাহ। এক বিবৃতিতে লেবাননের সেনাবাহিনী বলেছে, খ্রিস্টান ও শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত একটি এলাকায় অবস্থিত ট্রাফিক সার্কেল দিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

আল জাজিরা জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর সমথর্করা কালো পোশাক পরে বৈরুত জাস্টিস প্যালেসের সামনে জড়ো হন। বৈরুত বিস্ফোরণের তদন্ত থেকে বিচারক তারেক বিতারকে অপসারণের আহ্বান জানিয়ে তাকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও আমিরকান দাস’ হিসেবে অভিযুক্ত করেন বিক্ষুব্ধরা। এদিন আন্দোলন চলাকালে ভবনের ছাদ থেকে গুলি ছোড়ার শব্দ শোনা যায়। এ ঘটনায় এক অভিযুক্তকে আটক করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী। হামলাকারীর নাম পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি প্রশাসন। বৈরুতের বিস্ফোরণের তদন্ত নিয়ে এর আগেও স্বচ্ছতার প্রশ্ন ওঠে। এবার রাস্তায় নামল দেশটির জনগণ। এ বিষয়ে ফ্রান্সও তাদের মতামত জানিয়েছে। প্যারিস বলছে, অবশ্যই যে কোনো তদন্ত স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে দেওয়া উচিত, এবং সেই তদন্ত স্বচ্ছ ও বস্তুনিষ্ঠও হওয়া চাই।

advertisement