advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পণ্যের জন্য হাহাকার
টিসিবির পণ্য সরবরাহ বাড়ানো হোক

১৫ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ১০:৫৩ পিএম
advertisement

করোনার কারণে স্বল্প আয়ের মানুষই মূলত বেশি বিপদে পড়েছেন, যাদের বেশিরভাগই কাজ হারিয়েছেন। ছোটখাটো অনেক ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা পথে বসেছেন। সরকারের কাছ থেকে এই অসহায় মানুষগুলোর যে সহায়তা পাওয়ার কথা, তার খুব সামান্যই পেয়েছেন। অথচ বাজারে হু হু করে বাড়ছে সব ধরনের পণ্যের দাম। খাদ্যপণ্যের মধ্যে চাল-ডাল থেকে শুরু করে তেল, পেঁয়াজ, আদা-রসুন, মাছ-মাংস, শাকসবজি এমনকি অন্যান্য নিত্যব্যবহার্য সামগ্রীরও দাম বেড়েছে। বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর মধ্যেও সব সময় এক ধরনের গা-ছাড়া অবস্থা দেখা যায়। ফলে লোকদেখানো অভিযান পরিচালনায় ভোক্তা কোনো সুফল পায় না।

আমাদের মনে রাখতে হবে, হতদরিদ্র তো বটেই, নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষও কঠিন অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। বিশেষ করে যারা সহায়তার জন্য অন্যের কাছে হাত বাড়াতে পারেন না লোকলজ্জার ভয়ে। ফলে সরকারের দেওয়া ওএমএস বা খোলাবাজারে বিক্রির দোকান ও টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) ট্রাকের সামনে মানুষের সারি ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে।

গতকাল আমাদের সময়ের প্রতিবেদনে রাজধানীর শাহজাহানপুর ফ্লাইওভারের নিচে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই পণ্য পাননি। এ চিত্র শুধু এক জায়গার নয়, প্রায় সব জায়গায়ই টিসিবির পণ্য চাহিদার তুলনা অপ্রতুল। টিসিবির অবস্থা হয়েছে, ‘সাধ আছে, সাধ্য নেই।’ যত মানুষ ট্রাক ও দোকানের সামনে ভিড় করছেন, তাদের সবাই পণ্য পাচ্ছেন না।

একদিকে মানুষের আয় কমে গেছে, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছেই। এ অবস্থায় সরকারের উচিত টিসিবির মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া। বলার অপেক্ষা রাখে না, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর প্রতি সরকারের দায়িত্ব আছে।

advertisement
advertisement