advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কবিতা

১৫ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ১১:২৭ পিএম
advertisement

মি জা ন মা লি ক

চাঁদ তারার দোটানা

কিছু নির্জনতা কথা বলে বোবা কণ্ঠে

আমরা কি বুঝতে পারি!

আমরা প্রিয় পোষা পাখিরও ডাক শুনি,

কিন্তু তার ভাষা বুঝতে পারি না;

এটা আমাদের চিরকালের অক্ষমতা,

অথচ, দেখেন, পাখিরা ঠিকই একে অন্যের

দুঃখে অনুরাগে পাশে দাঁড়ায়।

মানুষের ভেতর পাখির স্বভাব আছে হয়তো;

কিন্তু অভাব কেবল না বোঝার আনাড়িপনা।

বলছিলাম, নির্জনতার কথা। রাতের শান্ত প্রহর

তারাদের প্রহরায় বিশ্রাম নেয়,

মানুষ জোছনার ছায়া মেখে সিক্ত হতে চায়

অথচ, জোছনার চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে

তার কোনো ধারণা নেই।

দুপুরের সরলতা বিকেলের গোধূলিতে কেন

মলিন হয়,

এমন প্রশ্নের জবাব আজীবন হয়তো

অমীমাংসিত থাকবে।

কিন্তু রাতের তারা কেন মুখ মলিন করে রাখে!

তাহলে কী মাঝে মধ্যে চাঁদ কিংবা তারার

দোটানার রশিতে টান পড়ে?

সো হ রা ব পা শা

পাতা ছেঁড়া বিরামচি

ভুল ছায়ার অরণ্যে একা

তোমার গল্প বলোনি-

অন্ধ মেঘের বন্যতা

উপেক্ষার আকাশ থাকা-না-থাকা দিন

হুৎপি-ে নিঃস্ব আর্তনাদ;

বোঝা-না-বোঝার আনাগোনার ভেতর

স্বপ্নদিনের ঘর হয় না,

বিষণœ পথের ভিড়ে

অন্য দিনের পা’

অতৃপ্ত দুঃখিত চোখ

গলির মোড়ে নেই নক্ষত্রের অক্ষর;

ভালোবাসা কার ঘর করে-

ধু-ধু দীর্ঘ মায়াও বিভ্রম

পা’য় পা’য় হাঁটে

বিগত প্রসন্ন দিন-

তোমার না-বলা গল্পে

‘আগুনের ঝর্ণা’

হলুদ তন্দ্রার সন্ধ্যা।

আ রি ফ ম ঈ নু দ্দী ন

আলোকচিত্র

না, আমি তো কথা বলছি না-

সংগত কী অসংগত

চৌরঙ্গীর মোড়ে লুকোনো প্রাসাদ-ফেরা

ফেরারি আসামি চুপচাপ সয়ে গেছে সব

স্থিরচিত্ত-ক্রুর হাসি হজম করে আমিও ভাবলেশহীন

আমার চোখের দিকে তাকাও বিশাল মহাকাব্য

স্বর্গে স্বর্গে শ্যামল ভূখ--পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে মায়া

আমার দিকে তাকাও-পুরো বাংলাদেশ।

এ না ম রা জু

বেদখল সময়

সকাল বিক্রি হয়েছে কারও পকেটের জোরে

তীরবর্তী ভুলে যায়নি সেই পুরনো অতীত।

সহসা বিকেলটাও মনে হয় চুরি হয়ে গেছে

ভার্সিটিপড়–য়া জুটি আজও ফাঁকি দেয় ক্লাস

যদিও বসার নেই কাশফুল গালিচা জলের

যার রূপ দেখে উঁকি দেবে আগামীর বোধ

সময়ের পায়ে আবেগ বেঁধে আঁকবে প্রণয়ের চোখ

দেখবে রোদে পোড়া মজিদ আর দবীরের ঘাম

জ্বলজ্বল করে ওঠা মাছের ভূগোল,

রমণীর আড়িপাতা চোখে হাসির পেখম।

অবশেষে বিকেলটাও ঢুকে যায় সময়ের পেটে

পুরোটা সময় আজ লুফে নেয় পুরুতঠাকুর।

মু র্তা জা হ ক

নীলপদ্ম

নীলক্ষেতের রেস্তোরাঁয়, চারুকলার করিডরে

নিস্তব্ধ নীড়ে, জোনাকির খেলাঘরে,

বিজন জ্যোৎ¯œায়; নদী-তট-কুয়াশায়...

বহু বুকফাটা রোদে

অচেনা বহুপথ ধরে, বহুদিন

অনেক অচেনা মানুষের ভিড়ে

নিভে যাওয়া দিনে

অনেক খুঁজেছে সে তোমায়।

ল্যাম্পপোস্টের সোডিয়াম আলোয়

অবশেষে তোমাকে খুঁজে পায়

তখন আকাশে অকস্মাৎ

বিদ্যুৎ চমকে ওঠে

তার পর নামে বৃষ্টি; ধারা-অশ্রু

তোমার মুখবয়ব থেকে মুহূর্তে খসে পড়ে

সুগন্ধি গোলাপের আস্তরণ

আর সহসাই, কোন্্ অতল হতে

এক নীলপদ্ম হয়ে তুমি

তার সামনে ভেসে ওঠো।

অবলীলায় সে তোমার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়

আর বুকের ভিতর জমাট থেকে

তুমি দাও- এক ফোঁটা রক্ত।

advertisement