advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ডিএনসিসি মেয়র কাপের ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২১ ০৩:০৬ এএম
মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সাইফ পাওয়ারটেক ডিএনসিসি মেয়র কাপের ট্রফি ও জার্সি গতকাল হোটেল শেরাটনে উন্মোচন করা হয় ষ আমাদের সময়
advertisement

মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র কাপ। হোটেল শেরাটনের বলরুমে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বর্ণিল এক অনুষ্ঠানে উন্মোচন করা হয় ট্রফি ও জার্সি। মেয়র কাপের অধীনে হবে ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবল খেলা। উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরদের দল অংশ নেবে এ টুর্নামেন্টে। আগামী ২৩ নভেম্বর মাঠে গড়াবে মেয়র কাপ। উত্তর সিটির যে কোনো নাগরিক নিজ নিজ ওয়ার্ডের দলের হয়ে অংশ নিতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ট্রফি উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, ইউনিক হোটেল ও রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহা. নূর আলী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল, সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনটি খেলা। এতে তরুণ-তরুণী সবাই অংশ নিতে পারবেন। বিজয়ের মাসে বিজয়ের উৎসবে শেষ হতে পারে বলে আশা করি।’ এই ক্রীড়া সংগঠক বলেন, ‘শেখ কামাল ক্রিকেট, ভলিবল খেলার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাথলেটরও ছিল। সে আমার বন্ধু ছিল, আমরা একসঙ্গে আবাহনী করি। মোহামেডানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য আবাহনী করি। তখন হকি, টেবিল টেনিস করি। আবাহনীতে প্রথম মেয়েদের জন্য টেবিল টেনিস শুরু করি।’ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘জমি সংকটের কারণে দেশে মাঠের সমস্যা আছে। এর পরও প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম করার জন্য আগামী মাসে কাজ শুরু হচ্ছে।’ মেয়র কাপের আয়োজকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি খেলায় ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদেরও টিম রাখার অনুরোধ। আর মাঠ দখলমুক্ত করে খেলার উপযোগী করার জন্য যা যা প্রয়োজন আমরা করতে পারব।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য ডিএনসিসি মেয়র কাপের আয়োজন। আমার এতে পাশে থাকব। স্বপ্নের আবাহনীকে মেয়র আজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দখল হওয়া মাঠগুলো আমরা ফিরয়ে আনতে চেষ্টা করছি। সারাদেশে ১৮৬টি মাঠ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী ১৬৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রতিটি জেলায় ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ হচ্ছে।’

মোহা. নূর আলী বলেন, ‘ইতোমধ্যে ঢাকার মশক সমস্যার সমাধান হয়েছে। নাগরিক সমস্যা যা রয়েছে আশা করি তা মেয়রের নেতৃত্বে সমাধান হবে। শেরাটনের এই ভবনটি একসময় গার্বেজ ছিল, মেয়রের অবদানের কারণে আজকে বিশ্বের সব শেরাটন হোটেলের মধ্যে তা অন্যতম এবং ঢাকার ফাইভ স্টার হোটেলগুলোর মধ্য এক নম্বরে। এ জন্য সালমান ফজলুর রহমানের অবদানও কম নয়।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম রয়েছে। মেয়র চাইলে গুলশান ও বারিধারা লেকের দুপাশে চারটি রাস্তা নির্মাণ করে যানজট কমাতে পারেন। এতে ১০-২০ জন ব্যবসায়ীও তার পাশে থাকবেন। এ ছাড়া ঢাকার মাঠের নিচে ৩-৪ তলা পার্কিং হতে পারে। এতে অনেক মানুষই এগিয়ে আসবেন।’

ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি চাই ৫৪ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর সবাই টিম নামাবেন। জেতা বড় বিষয় নয়, এলাকাকে মাদকমুক্ত করাই বড় বিষয়। আমাদের উচিত খেলাধুলাকে উসাহিত করা। আমরা নগর পিতা হতে চাই না, নগর সেবক হতে চাই।’ আয়োজন সম্পর্কে মেয়র বলেন, ‘ওপেনিং হবে আর্মি স্টেডিয়ামে। ৫৪ ওয়ার্ডের ৫৪টি দল এতে খেলবে। বিত্তবানদের এসব খেলায় স্পন্সরশিপ করার আহ্বান থাকবে। ঢাকার এমপি-মন্ত্রীরা বলছেন, তারা (তাদের আসনের দল) কাপ জিততে চান। সবার মধ্যে এই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ঢাকায় সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কোনো জমি নেই। কেউ জমি দিলে আমরা পাই। ২৪টি মাঠ আছে, সেখানে বড়লোকেরা গাড়ি পার্কিং করেছিল। আমরা তাদের উচ্ছেদ করে সবার জন্য উন্মুক্ত করেছি। বড় বড় ডেভেলপার কোম্পানি নদী-খাল দখল করে। তাদের বলবÑ আপনারা এটি করবেন না।’

‘খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকি, মাদককে দূরে রাখি’Ñএ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত মেয়র কাপের টাইটেল স্পন্সর সাইফ পাওয়ারটেক। পাওয়ার্ড বাই রানার ও আকাশ এবং কো-পাওয়ারড বাই দারাজ।

advertisement
advertisement