advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর, আন্দোলনকারীদের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ অক্টোবর ২০২১ ০৪:৩৯ পিএম | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২১ ০৭:৪১ পিএম
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ, মন্দির ও হিন্দুদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনায় সাত দফা দাবি বাস্তবায়নে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ তুলে নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। ফলে পৌনে চার ঘণ্টা পর শাহবাগে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। ধীরে ধীরে কয়েকশ শিক্ষার্থী শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্স ল্যাব, বাংলা মোটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা এতে সংহতি জানান। পরে সাত দফা দাবি বাস্তবায়ন সময় বেঁধে দিয়ে বেলা সোয়া দুইটার দিকে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- হামলার শিকার মন্দিরগুলোর শিগগিরই প্রয়োজনীয় সংস্কার করা, বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ দেওয়া, ধর্ষণ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা, জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাসাবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও কমিশন গঠন, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করা এবং জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫ শতাংশ বরাদ্দ করা।

বিক্ষোভে জগন্নাথ হলের ছাত্র ও হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়জিৎ দত্তের সর্বশেষ বক্তেব্যের পর বেলা সোয়া দুইটার দিকে কর্মসূচি শেষ হয়। তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দাবিগুলোর বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি না মানা হলে এবং এর মধ্যে দেশের কোথাও এ ধরনের হামলা-ভাঙচুর বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে আমরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেবে।’

এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধ শুরু হওয়ার পর সেখানে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা, সাবেক প্রাধ্যক্ষ অসীম কুমার সরকার ও আইন বিভাগের অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল।

advertisement
advertisement