advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ব্যাটিং অ্যাপ্রোচের পরিবর্তন চান পাপন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৯ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২১ ১০:৫৭ পিএম
advertisement

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারের লজ্জার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে অনেক প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। পাপন জানান, বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচের পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া তামিম বিশ্বকাপে খেলবে না- এ ব্যাপারটি আগে থেকেই জানেন তিনি। পাপন বলেন, ‘একটা জিনিস আপনাদের বলতে পারি- তামিমের না খেলার ব্যাপারটি আপনারা জানার অনেক আগেই আমি জানি। এমনকি আমি ভেবেছিলাম আরও একজন খেলবে না। এ রকম তথ্যও আমার কাছে ছিল। কিন্তু খেলছে। আমার কথা হচ্ছে- এগুলো মনের মধ্যে রাখার তো কিছু নেই, খেললে খেলবে না খেললে নেই। সোজা বলে দেবে। কিন্তু অভিমান করে বলে দেবে আমি খেলব না, এটি আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কার সঙ্গে অভিমান দেশের সঙ্গে? এ দেশেই তো থাকছে সে। এ ধরনের আবেগের আমার কাছে কোনো জায়গা নেই। আমার কথা হচ্ছে- কেউ খেলতে চাইলে খেলবে, না চাইলে খেলবে না। তবে একটা জিনিস সর্বশেষ বলে দিচ্ছি- যত ওপেনারই খেলুক না কেন, তামিমের চেয়ে ভালো ওপেনার একটিও নেই।’

স্কটল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশ হারের পর ওমানে জরুরি সভায় বসেন বিসিবি সভাপতি পাপন। তিনি জানান, ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের মূল ব্যাটসম্যান সাকিব, মুশফিক, রিয়াদ ওরা হচ্ছে আমাদের সেরা ব্যাটসম্যান। তিনি আরও জানান, ‘মিটিংয়ে আমার সঙ্গে আকরামও ছিল। তো আকরাম ঠিক এই প্রশ্নটাই করেছে। যে নাঈমকে সারা বছর ধরে আপনি খেলালেন ওয়ার্ল্ডকাপের জন্য প্রস্তুত করলেন, তা হলে ওয়ার্ল্ডকাপে নাঈম নেই কেন? এ প্রশ্নটি করা হয়নি তা না, এই প্রশ্নটি আমার কাছেও ছিল। আসলে সমস্যাটা হচ্ছে কী- নাঈম গেলে যে জিতে যেত এমন কোনো কথা না। আমি একটা জিনিস আপনাদের বোঝাতে চাচ্ছি- কালকের (মঙ্গলবার) ম্যাচে নাঈমকেও মারতেই হবে, ছয় ওভার শুরুতে যারা নামবে, তাদের ছয় ওভারের অ্যাডভানটেজটা নিতেই হবে।

পরের দিকে যতগুলো শট ওরা খেলেছে, বাউন্ডারি লাইনে যতগুলো ক্যাচ ওরা দিয়েছে, এগুলো মারতে হবে প্রথম ছয় ওভারে, ফিল্ডিং রেস্টটিকশন থাকাকালীন। তখন তো কেউ মারছে, পরে যেভাবে বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডাররা থাকে, তখন মারার তো কোনো মানে হয় না। আমি বলতে চাচ্ছি যে, ওদের প্ল্যানিংটাই তো আমি বুঝতে পারিনি। সো অ্যাপ্রোচটা চেঞ্জ করতে হবে। উইকেট যাক, কিছু যায় আসে না। যারা মারতে পারে, যাদের মনে সাহস আছে, তারা প্রথমে নামবে। এবং প্রথম ছয় ওভারের অ্যাডভানটেজটা নিতে হবে। পাপনের মতে, দেশের জন্য খেলতে সব ভুলে যেতে হবে। কারও মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকা যাবে না। দেশের জন্য খেলতে গেলে আবেগের জায়গা নেই। স্কটল্যান্ডের ম্যাচে ঠিক কোন জায়গায় গিয়ে হেরেছে বাংলাদেশ- সেটির কারণ জানালেন পাপন। তিনি বলেন, ‘প্রথম ছয় ওভারে সুবিধা নিতে গেলে মারতে হবে, সেখানে উইকেট পড়বে। কিছু যায় আসে না। কিন্তু দুটো উইকেট পড়ার পর আমাদের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যাট করেছে সাকিব, মুশফিক ও রিয়াদ। প্রথম দুজন বাদই দিলাম। তিন, চার ও পাঁচ। সেখানেই তো আমরা ম্যাচ হেরে গেছি। এভাবে খেলে তো আমরা ১৪০ তাড়া করতে পারব না। সবাই জানে এভাবে খেললে জিততে পারব না। আমার কাছে মনে হয় এই অ্যাপ্রোচ ওদের কাছে পাইনি। এটি একটি মূল বিষয়। অ্যাপ্রোচ ভালো ছিল না। কৌশলও ভালো হয়নি। যেহেদু আর্লি তিন ওভারের মধ্যে ২ উইকেট পড়ে গেছে। তখনো পাওয়ার প্লের আড়াই তিন ওভার বাকি। সেখানে অবশ্যই ব্যাটিং অর্ডার বদলানো দরকার ছিল। কাউকে তিনে খেলাতেই হবে, কাউকে চারে খেলাতেই হবে? এটি তো পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।’

advertisement
advertisement