advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

৩৬ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ২

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
১৯ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২১ ১১:২৬ পিএম
advertisement

ফতুল্লায় প্রকাশ্যে গলা কেটে ইজিবাইকচালক সুজন ফকির হত্যার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে ২ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাদের একজন মূল পরিকল্পনাকারী মো. আব্দুল মজিদ এবং অপরজন হত্যাকা-ে সরাসরি অংশগ্রহণকারী মো. মজজেম হোসেন। নাটোরের বাগাতিপাড়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল সোমবার আদমজীনগরস্থ র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভির মাহমুদ পাশা এ তথ্য জানান।

এই র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লা থানাধীন নয়াবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ইজিবাইক চালক সুজন ফকিরকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই রহস্য উদ্ঘাটন ও ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে র?্যাব ১১-এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রবিবার গভীর রাতে র?্যাব-১১ ও র?্যাব ৫-এর যৌথ অভিযানে নাটোরের বাগাতিপাড়া এলাকা থেকে মো. আব্দুল মজিদ ও মো. মজজেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, মো. আব্দুল মজিদের স্ত্রীর সঙ্গে নিহত সুজন ফকিরের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এতে মজিদ ও তার স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি ঘটে। গত ৫ অক্টোবর আব্দুল মজিদের স্ত্রী কাউকে না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্ত্রীকে না পেয়ে আব্দুল মজিদ এ জন্য সন্দেহ করেন সুজন ফকিরকে। তার পর তিনি ভাতিজা মো. মজজেম হোসেনকে নিয়ে সুজন ফকিরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী মো. মজজেম হোসেন ও নাটোর থেকে খালাতো ভাই মো. হাসানকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ আসেন আব্দুল মজিদ। আব্দুল মজিদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন সকালে মজজেম ও হাসান যান সুজন ফকিরের বর্তমান ঠিকানায়। এদিকে আব্দুল মজিদ মোবাইল ফোনে সুজনকে মজজেমের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। মজজেমের সঙ্গে দেখা করতে এলে কথা আছে বলে সুজনের অটোরিকশায় করে তিনজন অন্যত্র রওনা দেন। চলন্ত অটোরিকশার পেছনের সিটে বসা মজজেম সামনে বসা সুজন ফকিরের গলায় পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করেন।

advertisement
advertisement