advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মাগুরায় ৪ খুন
তিন দিন পর একপক্ষের মামলা, আসামি ৬৮

মাগুরা প্রতিনিধি
১৯ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২১ ০১:৫৪ এএম
advertisement

মাগুরায় চার খুনের ঘটনায় তিন দিন পর একপক্ষ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। এতে ৬৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। সদর থানায় গতকাল সোমবার দুপুরে মামলাটি করেন নিহত সবুর মোল্যা, কবির মোল্যা ও রহমান মোল্যার ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন মোল্যা।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান জানান, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে জগদল ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলামকে। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে। আগে পুলিশের হাতে আটক চারজনের নাম এ মামলায় থাকায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিপক্ষের অপর নিহত ইমরান হোসেন হত্যার ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে তার মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করবেন বলে জানা গেছে।

আগামী ১১ নভেম্বর মাগুরা সদর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা

নিয়ে জগদল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর নজরুল ইসলাম ও সামাজিক দলের প্রার্থী সৈয়দ হাসানের সমর্থদের মধ্যে গত শুক্রবার বিকালে সংঘর্ষ হয়। এতে নজরুল ইসলামের সমর্থকদের হামলায় প্রতিপক্ষের সবুর মোল্যা, কবির মোল্যা ও রহমান মোল্যা নামে তিন ভাই নিহত হন। এ ছাড়া সৈয়দ হাসান আলী পক্ষের হামলায় নিহত হন ইমরান হোসেন নামে এক যুবক। এ সংঘর্ষে আহত হন উভয়পক্ষের ২০ জন। শনিবার সন্ধ্যার পর ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জগদল গ্রামে প্রশাসন পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। পরে জানাজা শেষে শনিবার রাতেই একই পরিবারের তিন ভাইয়ের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। অন্যদিকে অপর নিহত ইমরান হোসেনকে দাফন কার হয় জগদল রুপাটি গ্রামে কবরস্থানে।

এদিকে চার খুনের ঘটনায় পর পরবর্তী হামলা ও গ্রেপ্তার আতঙ্কে গোটা গ্রামে পুরুষশূন্য অবস্থা বিরাজ করছে। দূরদূরান্ত থেকে নারী আত্মীয়স্বজনরা এসে বাড়িঘর পাহারা দিচ্ছেন। বেশিরভাগ পরিবার লুটপাটের আশঙ্কায় বাড়িঘরের মালামাল গরু, ছাগল আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে।

মাগুরা সদর থানার ওসি মঞ্জুরুল আলম বলেন, আমরা গ্রামের সর্বসাধারণকে নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে এলাকায় থাকতে বলেছি। এমনকি অনেককে মালামাল অন্যত্র না পাঠাতে দিয়ে রাস্তা থেকেই বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়েছি। এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যে কোনও পুনঃসহিংসতা প্রতিরোধে সর্বাত্মক নজরদারি বহাল আছে।

advertisement
advertisement