advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

শাজাহান খানকে নৌকার বিরোধিতা না করার হুঁশিয়ারি জেলা আ.লীগ সভাপতির

মাদারীপুর প্রতিনিধি
১৯ অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩৯ পিএম | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২১ ১০:০৬ পিএম
মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা।  ছবি : আমাদের সময়
advertisement

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীয় সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শাজাহান খানকে নৌকার বিরোধিতা না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ‘আপনি (শাজাহান খান) ২০১৮ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করে নিজের ভাইকে বিদ্রোহী প্রার্থী করিয়েছিলেন তখন তৃণমূল আওয়ামী লীগ শক্তিশালী ছিল না। কিন্তু এখন তৃণমূল আওয়ামী লীগ শক্তিশালী। তাই এখন আর নৌকার বিরোধিতা করবেন না। আপনি নৌকা নিয়েই ৬ বার এমপি হয়েছেন, এখন আবার নৌকাবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। ফলে আগামীতে নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার নৈতিকতা হারিয়েছেন। বাহাদুরি থামান। আর বাহাদুরি করবেন না।’

এ সময় তিনি শাজাহান খানকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, ‘নৌকার এমপি হয়ে লাভবান হয়েছেন। গাড়ি-বাড়ি, ধন-দৌলত কম হয়নি আপনার আর আমাদের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর কিছু হয় নাই। আপনার পরিবার ছাড়া আপনি কিছুই বোঝেন না। এখন দেখছেন নৌকা আপনার পরিবারের লোকজন আর আপনার দালালরা পাবে না, তাই নৌকার বিরোধিতা শুরু করেছেন। সময় আছে, সাবধান হয়ে যান। না হলে আওয়ামী লীগ আপনাকে ছাড়বে না।’

মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে তৃতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইউসুফ চোকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আজাদুর রহমান মুন্সি, সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে ও পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ। এ সময় সদর উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মাদারীপুরে একটি অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীয় সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের এমপি শাজাহান খান ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার পক্ষে বক্তব্য দেন। যা নিয়ে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

advertisement
advertisement