advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় হংকংয়ের শিক্ষার্থীর ১২ মাসের দণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
২০ অক্টোবর ২০২১ ০২:২০ পিএম | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২১ ০২:২৩ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

হংকংয়ের একটি আদালত বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার অপরাধের একজন বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতককে একবছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ইয়াও ওয়াং-টাট নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে ‘অবৈধ সমাবেশে’ অংশগ্রণের অভিযোগে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। রেডিও ফ্রি এশিয়ার বরাতে এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দণ্ডিত হওয়ার পর, ইয়াও হংকংবাসীদের দৈনন্দিন জীবনের উপর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের ‘মহা প্রাচীর’ -কে ভয় না করার আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইয়াও বলেন, সবাই সমানভাবে এগিয়ে আসুন, কেউ আপনাদের স্বাধীনতা থেকে দূরে রাখতে পারবে না।’

হংকংবাসীকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনুভব করি আপনারা সবাই আমার সঙ্গে আছেন, সেটাই আমাকে অনুপ্রাণিত করে।’

রেডিও ফ্রি এশিয়া জানিয়েছে, ২০১৯ সালের অক্টোবরে আন্দোলন চলাকালে সাঙ্গ চি-চিন নামের এক কিশোরের পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। ইয়াও তখন ওই কিশোরকে সাহায্য কর‍তে গিয়ে আটক হন। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর কারাগার থেকে ছাড়া পেলেও আদালতে মামলার চাপে পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে পারেননি তিনি। তবে তার আইনজীবী জানিয়েছেন, অনেক কষ্টে তিনি ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পেরেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি হংকংবাসী একটি গণবিক্ষোভ করেন। যেখান হংকং থেকে চীনের মূল ভূখণ্ডে বন্দী হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিল, পূর্ণ গণতন্ত্র, অঞ্চলটির শাসকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। পরে এই বিক্ষোভ-আন্দোলোন অনেক দীর্ঘায়িত হয়। আর এই বিক্ষোভের জেরে গত বছরের ৩০ জুন হংকংয়ের জন্য ‘জাতীয় নিরাপত্তা আইন’ নামে নতুন একটি আইন পাস করে বেইজিং।

ওই আইনে বিচ্ছিন্নতাবাদ, কেন্দ্রীয় সরকার পতন, সন্ত্রাসবাদ ও জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করতে বিদেশি বাহিনীর সঙ্গে যোগসাজশে করা যেকোনো কাজকে শাস্তিমূলক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আর এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নির্ধারণ করে চীনের কমিউনিস্ট সরকার। এই আইনের জেরে নতুন করে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছিলো হংকংজুড়ে।

advertisement
advertisement