advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সমালোচকদের একহাত নিলেন মাহমুদউল্লাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২১ অক্টোবর ২০২১ ০৮:৪৩ পিএম | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২১ ০৪:০৩ পিএম
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
advertisement

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর পর সমালোচনার তিরে বিদ্ধ হন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। বাদ পড়েনি তাদের পরিবার কিংবা আত্মীস্বজনরাও। স্কটিশদের সঙ্গে এমন হার মেনে নিতে পারেনি কেউ। যার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ক্রিকেটারদের সমালোচনা সবর হয়ে উঠে। অবশেষে ওমান-পাপুয়া নিউ গিনিকে হারিয়ে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তবে সমালোচনায় বিদ্ধ মাহমদুউল্লাহ রিয়াদ বললেন, ‘আমরাও মানুষ, ভুল করি কিন্তু ছোট করা উচিত না।’

আজ বৃহস্পতিবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে বড় জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। পিএনজিকে হারিয়ে শক্তভাবে বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ নিশ্চিতের পর সমালোচকদের এক হাত নিলেন রিয়াদ। তিনি বলেন, ‘সমালোচনা আমাদের স্পর্শ করে। আমরাও মানুষ। আমাদের পরিবার আছে। আমাদের বাবা-মা রাও বসে থাকে টিভির সামনে। আমাদের বাচ্চারাও খেলা দেখে। তারাও মন খারাপ করে।’

‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তো এখন মানুষের হাতের নাগালে। সবার মোবাইলে আছে। সমালোচনা তো হবেই। আমরাও আশা করি সমালোচনা হোক। আমরা খারাপ খেলেছি সমালোচনা হবেই। কিন্তু সমালোচনার মাধ্যমে কেউ কাউকে ছোট করে ফেলে সেটা কিন্তু খারাপ লাগে’, যোগ করেন তিনি।

তিন সিনিয়র ক্রিকেটারের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। দেশের মানুষের সমালোচনাও কম হয়নি। এ নিয়ে রিয়াদ বলেন, ‘অনেক প্রশ্ন এসেছে। আমাদের ব্যাটিংয়ের স্ট্রাইক রেট। আমাদের তিন সিনিয়র ক্রিকেটারের স্ট্রাইক রেট নিয়ে। আমরা তো চেষ্টা করেছি। চেষ্টার বাইরে তো আমাদের কাছে কিছু নেই। এরকম না যে আমরা চেষ্টা করিনি। আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ফল আমাদের পক্ষে আনতে পারিনি। সমালোচনা হবেই, এটা কাম্য। কিন্তু সুস্থ সমালোচনা হলে সবার জন্য ভালো।’

দেশের হয়ে খেলতে নামার পর ক্রিকেটারদের ভেতর সম্মন অনুভব বাড়িয়ে দেয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জার্সিটা যখন আমরা গায়ে দেই তখন আমাদেরও সম্মান অনুভব হয়। আমরা দেশের জন্য কতটুকু করি। সবারই ত্যাগ থাকে। কারো ব্যথা থাকে। কারো অনেক ইনজুরি থাকে। ওগুলো নিয়ে আমরা খেলি। দিনের পর দিন আমরা খেলি। পেছনের গল্পগুলো অনেকেই জানে না। এজন্য কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন করা ঠিক না।’

স্বস্তির শ্বাস পেলে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক বলেন, ‘আশা করি, এখন কিছুটা স্বস্তি পাবো। সবচেয়ে বড় কথা, দলের ভেতরে যে উদ্রীবতা ছিল ওইটা নেই। এজন্য খেলোয়াড় এবং প্রত্যেক টিম ম্যানেজমেন্টকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। শুধু আমরাই নই। আমাদের স্টাফ, সোহেল ভাই (ম্যাসাজম্যান), রমজান (থ্রোয়ার) প্রত্যেকের ক্রেডিট দিতে হবে। আশা করছি ভালো কিছু হবে সামনে।’

advertisement
advertisement