advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কক্সবাজারে গ্রেপ্তার ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল : পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর ২০২১ ১১:২৬ এএম | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:৫১ পিএম
গ্রেপ্তারকৃত ইকবাল হোসেনকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে।
advertisement

কক্সবাজারে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল হোসেন বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক আহমেদ। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ কথা বলেন তিনি।

এসপি ফারুক আহমেদ জানান, তারা নিশ্চিত যে, কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল। তাকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে। তবে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হলে তার কাছ থেকে যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কুমিল্লার নানুয়া দীঘির পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রেখেছিলেন শহরের দ্বিতীয় মুরাদপুরের লস্করপুকুরপাড়ের বাসিন্দা ইকবাল হোসেন। পূজামণ্ডপের আশপাশের বিভিন্ন বাসা-প্রতিষ্ঠান ও শহরের কয়েকটি এলাকার ক্লোজড সার্কিট টিভি (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তা নিশ্চিত হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বয়সে তরুণ ইকবাল ‘ভবঘুরে ও মাদকাসক্ত’—এমন তথ্যও দিচ্ছে পুলিশ।

ইকবাল হোসেন নামের এক যুবককে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করার তথ্য দিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন গত রাত সাড়ে ১১টায় মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করছি, আটক ব্যক্তিই কুমিল্লার ইকবাল।’

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইকবাল কখনো বাসচালকের সহকারী (হেলপার), কখনো রংমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।

ইকবালের বাবা নুর আহমেদ আলম। মা বিবি আমেনা বেগম। তাদের তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে ইকবাল বড়। তার মা আমেনা বেগম জানান, ১০ বছর আগে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় প্রথম বিয়ে করেন ইকবাল। প্রথম স্ত্রীর ঘরে একটি ছেলে আছে। পাঁচ বছর আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই ঘরে একটি মেয়ে আছে। তার ছেলের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্বিতীয় স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে গেছেন।

পরিবারের অন্য সদস্যরা জানান, ইকবাল ভবঘুরের মতো জীবন কাটান। মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের বিরক্ত করেন।

ইকবালের মা আমেনা বেগম জানান, ভিডিও ফুটেজে যে ছবি দেখা গেছে, তা ইকবালের। ১১ অক্টোবরের সন্ধ্যার পর ছেলের সঙ্গে তাঁর আর দেখা হয়নি। তিনি বলেন, ‘ইকবাল নেশাখোর ছিল।’

advertisement
advertisement