advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মাকে বাইরে রেখে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
২৩ নভেম্বর ২০২১ ০৪:৩২ পিএম | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২১ ০৫:০০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
advertisement

মৃত্যুর পরেও সমালোচনা পিছু ছাড়ছে না ফুটবল কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার। বর্ণময় ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ম্যারাডোনার জীবনের অংশ ছিল ড্রাগ আর খ্যাপাটে সব কর্মকাণ্ড। এবার আলোচনায় এলো নারীকাণ্ড। ম্যারাডোনার মৃত্যুবার্ষিকীর আগমুহূর্তে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন সাবেক বান্ধবী মাভিস আলভারেজ।

৩৭ বছর বয়সী এই কিউবান নারী সম্প্রতি মানব পাচারের মামলায় আর্জেন্টিনার বিচার বিভাগের সামনে সাক্ষ্য দিতে এসেছেন। ২০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে তিনি আর্জেন্টিনায় এলেন। স্থানীয় গণমাধ্যম 'ইনফোবে’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাভিস জানান, এর আগে ম্যারাডোনার সঙ্গে তিনি ২০০১ সালে আর্জেন্টিনায় এসেছিলেন। তাকে বাক্সে ভরে সবার অগোচরে আনার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু পরে ম্যারাডোনার বন্ধু বন্ধু ফিদেল কাস্ত্রোর সহযোগিতা এবং বিশেষ অনুমতিতে তিনি বুয়েনস এইরেসে আসতে পেরেছিলেন।

মাভিস জানান, তিনি তখন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। তারা গিয়ে ওঠেন হাভানার একটি হোটেলে। সেখানে তার মাও এসেছিলেন মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে।

তিনি বলেন, ‘ম্যারাডোনা আমার মুখ চেপে রেখেছিলেন, যাতে আমি চিৎকার না করতে পারি। আমি তাই কিছু বলতে পারিনি। এরপর আমাকে ধর্ষণ করেন তিনি। সেদিন মা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তিনি জানতেন, আমরা ওই হোটেলের কোন কক্ষে ছিলাম। কিন্তু ডিয়েগো কক্ষের দরজা খোলেননি।’

মাভিস বলেন, ‘আমার মা কেঁদে কেঁদে দরজায় কড়া নেড়েই যাচ্ছিলেন। তাও ডিয়েগো রাজি হননি। পরে ক্লান্ত হয়ে আমার মা চলে যান। কারণ, ম্যারাডোনা দরজা খুলছিল না।’

২০ বছর আগের ঘটনা এতদিন পর সামনে আনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় মাভিসের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘দেখুন, ফিদেল কাস্ত্রোও মারা গেছেন, ডিয়েগো ম্যারাডোনাও মারা গেছেন। আমার মেয়ের বয়স এখন ১৫ বছর। মনে হয়েছে, আমার মেয়ের বয়স এখন ঠিক তেমন, যে বয়সে আমার সঙ্গে ওসব হয়েছিল। আমি হোটেল থেকে বেরোতে পারতাম না, আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল। আমাকে অপহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছিল। আমি কিছুই জানতাম না শহরটার ব্যাপারে। সবসময় একজন বা দুজন আমাকে দেখে দেখে রাখত।’

ম্যারাডোনা সম্পর্কে আরও অভিযোগ এনে মাভিস বলেন, ‘ম্যারাডোনা কৃত্রিমভাবে আমার স্তন প্রতিস্থাপন করাতে চেয়েছিলেন। আমি তখন নাবালিকা। তাই এ কাজ করতে হলে অভিভাবকের সম্মতির দরকার হয়। কিন্তু ম্যারাডোনা ওসবের ধার ধারেননি। যে কারণে আর্জেন্টিনায় বেশি দিন থাকতে হয় আমাদের। ম্যারাডোনা ছোট স্তন পছন্দ করতেন না। তার বিশেষ আগ্রহেই এ কাজ করতে হয়। কিন্তু আমার শরীরে পর্যাপ্ত চামড়া না থাকার কারণে ম্যারাডোনার প্রত্যাশা অনুযায়ী স্তনের আকার দেওয়া সম্ভব হয়নি।’

 

 

advertisement
advertisement